অসঙ্গতি উপেক্ষা করেই বাংলাদেশে মানবাধিকার দিবস পালিত  | বিশ্ব | DW | 10.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

অসঙ্গতি উপেক্ষা করেই বাংলাদেশে মানবাধিকার দিবস পালিত 

 নানাবিধ মানবিক সংকট ও অসঙ্গতি উপেক্ষা করে আজ (সোমবার) বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদযাপিত হলো বাংলাদেশে৷দিবসটি  উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো৷ 

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন৷ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও দিবসটি উপলক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন৷ 
বালাদেশ মানবাধিকার ফেডারেশন (বিএইচআরএফ) দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১০টায় এক মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে৷ এতে বক্তারা মানবাধিকার রক্ষায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানান৷
এদিকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রকাশিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিসংখ্যানে দেখা যায় চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ২৪১টি৷  এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে হত্যা ১৫২, ধর্ষণ ১৭, শিশু ধর্ষণ ২০, নারীর প্রতি সহিংস যৌন নির্যাতন, পারিবারিক সহিংসতা, অ্যাসিড নিক্ষেপ ইত্যাদি ২৮, শিশু হত্যা ১০, শিশু নির্যাতন ০২, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ০৩, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাস্তি ২০, নিখোঁজ ০১, অপহরণ ০২, শ্রমিক মৃত্যু ১৮, বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২৭৷
ফেব্রুয়ারি মাসে হত্যা ৮৯, ধর্ষণ ১৬, শিশু ধর্ষণ ১০, নারীর প্রতি সহিংসতা ১৪, যৌন নির্যাতন, পারিবারিক সহিংসতা, অ্যাসিড নিক্ষেপ ইত্যাদি ২৮, শিশু হত্যা ১৭, শিশু নির্যাতন ০৩, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ০২, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাস্তি ০২, গুম ০১, নিখোঁজ ০৬, অপহরণ ০১, শ্রমিক মৃত্যু ১৯, বন্দুকযুদ্ধে নিহত ০৫৷

ভিডিও দেখুন 02:01

অধিকার হরণ ও প্রতিরোধের বছর


এ প্রসঙ্গে মানবাধিকার কর্মী নূর খান ডয়েচে ভেলে বাংলা বিভাগকে বলেন, ‘‘এই মুহুর্তে এক কথায় বললে মানবাধিকার পরিস্থিতি বিভীষিকাময়৷ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, রাজনৈ্তিক নীপিড়ণ, মিথ্যা মামলায় হয়রানি প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে৷ পাশাপাশি নিত্যনতুন কৌশলে মানুষের অধিকার হরণ করা হচ্ছে৷ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশেরহয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডও বেড়েছে৷’’ 
‘‘শুধু এই ২০১৮ সালের শেষ দিকে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে প্রায় ৩০০ মানুষকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে৷ গ্রেফতার হয়েছে কয়েক হাজার রাজনৈতিক কর্মী৷ মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কারাবন্দি আছে৷’’ 
তিনি আরো জানান, ‘‘দুর্ভাগ্যজনক হলেও এটাই সত্যি যে, বিশেষ ক্ষমতা আইনের যেসব ধারা বিলুপ্ত হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো ব্যবহার করে গুম, নির্বিবাদে গ্রেফতার, খুনের ঘটনা ঘটেই চলেছে৷’’
তিনি আরো উল্লেখ করেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও ভয়ের সংস্কৃ্তি মিলেমিশে পরিস্থিতিকে বিভীষিকাময় করে তুলছে৷ 
এ পরিস্থিতি থেকে  উত্তরণের পরামর্শ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারকে দৃ্শ্যমান কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে আসছি৷ এর মধ্যে একটি হলো বিশ্বাসযোগ্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে৷’’ বিচারহীনতার সংস্কৃ্তি থেকে বের হয়ে আসতে হলে এর বিকল্প নেই বলেও মনে করেন তিনি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন