অর্থ দেয়া হবে, কিন্তু... | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 19.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

অর্থ দেয়া হবে, কিন্তু...

ব্যাপক খরায় কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবার পর জার্মান কৃষকরা ভেবেছিলেন যে, সরকার তাদের আর্থিক সাহায্য দেবে৷ কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে, আর্থিক সাহায্য দেয়ার সিদ্ধান্ত নেবার সময় হয়নি৷

বেশ কিছুদিন ধরে জার্মানিতে তাপদাহ চলেছে৷ এই তাপদাহের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষি উৎপাদন৷ জার্মানির কৃষকরা তাদের প্রত্যাশামতো ফসল তুলতে পারেননি

এরই মধ্যে গত সোমবার তারা জানতে পেরেছেন যে, তাদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে কৃষি মন্ত্রণালয় আরেকটু খতিয়ে দেখতে চায়৷

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কর্মকর্তাদের এক সভা শেষে সম্প্রতি মন্ত্রণালয় এমন অবস্থান নিয়েছে৷  জানা গেছে, গবাদি পশুর খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা কেন্দ্রীয় সরকার পুষিয়ে দেবে৷ কিন্তু কতটা ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত নিতে ২২ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে৷

‘‘ঠিক কতটুকু ক্ষতি হয়েছে তা আগামী সপ্তাহেই কেবল জানা যাবে৷ তাই আমরা সময় নিচ্ছি৷ যথাযথ তথ্য উপাত্ত হাতে পেলেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে৷'' সিডিইউ নেতা ও কৃষিবিদ হেরমান অনকো আইকেন্স বলেন৷

কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী ইউলিয়া ক্লোকনার আগেই ঘোষণা দিয়েছেন যে, আগস্টের শেষ নাগাদ ফসল উৎপাদনের তথ্য সরকারের হাতে আসার আগে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না৷ আইকেন্স বলেন যে, রাজ্য পর্যায়ে কৃষকরা এরই মধ্যে নানান সহায়তা পাচ্ছেন৷

এদিকে, খরায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জার্মানির পূর্বাংশের কৃষকরা৷ মেকলেনবুর্গ-ওয়েস্টার্ন পোমের্নিয়া রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী টিল বাকহাউস সরকারের সিদ্ধান্ত নিতে এই বিলম্ব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন৷

‘‘এমন দুঃসহ সময়েও বার্লিন থেকে কোনো পরিষ্কার বার্তা পাওয়া যাচ্ছে না৷ আমি ভেবেছিলাম একটা সিদ্ধান্ত হয়তো প্রায় হয়েই গেছে৷'' বলেন তিনি৷

ফসল বিনষ্ট হওয়ায় এবং গবাদি পশুর খাদ্যের সংকট মোকাবেলায় জার্মান কৃষক অ্যাসোসিয়েশন ১ বিলিয়ন ইউরো ক্ষতিপূর্ণ দাবি করেছে৷  জার্মানির পূর্বাংশ ছাড়াও উত্তরেও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে৷ বিশেষ করে পূর্বের রাজ্য স্যাক্সনিতে ক্ষতির পরিমাণ ৩০.৮ কোটি ইউরো বলে জানা গেছে৷

জার্মানিতে সাধারণত, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলা করে রাজ্য সরকারগুলো৷ তবে যদি সারাদেশেই প্রভাব পড়ে এমন কোনো বড় দুর্যোগের ঘটনা ঘটে তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারও সহায়তায় এগিয়ে আসে৷

এবারের প্রচণ্ড গরমে উত্তর ইউরোপের অনেক দেশের মতো জার্মানিতেও কৃষি উৎপাদন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ ধারণা করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরমের সময় যে পরিমাণ ফসল উৎপাদন হয় গত ২৪ বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে কম হবে৷ ১৮৮১ সাল থেকে নিয়মিত ফসল উৎপাদনের তথ্য সংরক্ষণ করে আসছে জার্মানি৷

জেডএ/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন