‘অভিশপ্ত′ বোয়িং মডেলের উড়াল বাতিল করলো চীন | বিশ্ব | DW | 11.03.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

চীন

‘অভিশপ্ত' বোয়িং মডেলের উড়াল বাতিল করলো চীন

৬ মাসের মধ্যে ইথিওপিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের দুটি বিমান ভেঙে পড়ায় সার্বিকভাবে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে৷ চীন এই মডেলের উড়াল আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

রবিবার  ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান রাজধানী আদিস আবাবা থেকে উড়াল শুরুর কিছুক্ষণ পরই ভেঙে পড়ে৷ ফলে ১৫৭ জন যাত্রী ও বিমানকর্মী নিহত হয়েছেন৷ এমন ঘটনার কারণ এখনো জানা না গেলেও সার্বিকভাবে বোয়িং কোম্পানির ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে আশঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে৷ কারণ ৬ মাসের মধ্যে এই নিয়ে একই মডেলের দুটি বিমান বিধ্বস্ত হলো৷ গত বছর অক্টোবর মাসে ইন্দোনেশিয়ায় লায়ন এয়ার বিমান সংস্থার একই মডেল ভেঙে পড়ায় ১৮৯ জনের মৃত্যু হয়৷

রবিবারের ঘটনা বিমানের বিশেষ এই মডেলের ত্রুটি সম্পর্কে জল্পনাকল্পনাকে উসকে দিয়েছে৷ আবহাওয়া যথেষ্ট ভালো ছিল৷ বিমানচালক ককপিটে সমস্যার কারণে বিমানবন্দরে ফিরে আসার অনুমতি চেয়েছিলেন৷ জরুরি অবতরণের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল৷ আফ্রিকার অন্যতম সেরা বিমানসংস্থা হিসেবে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সুনাম রয়েছে৷ বিধ্বস্ত বিমানের দুটি ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করে বিশ্লেষণ করলে এমন বিপর্যয়ের কারণ জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

ইথিওপিয়ার পাশাপাশি চীনও সে দেশে বোয়িং-এর এই বিশেষ মডেলের সব উড়াল আপাতত বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ অন্য কিছু দেশও একই সিদ্ধান্ত নেবে বলে অনুমান করা হচ্ছে৷ চীনের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা দূর হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর রাখতে চায়৷ উল্লেখ্য, চীন এই মডেলের বিমানের বড় ক্রেতা৷ মোট ৯৬টি বিমান সে দেশে চালু রয়েছে৷ ফলে সোমবার ২৯টি উড়াল বাতিল করতে হচ্ছে৷

বিশেষজ্ঞরা রবিবারের ঘটনার তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দিলেও বোয়িং কোম্পানির একই মডেলের দুটি বিমান ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে কিছু মিল খুঁজে পাচ্ছেন৷ ইথিওপিয়ার মতো ইন্দোনেশিয়ায়ও বিমানচালক উড়াল শুরু হবার পর ত্রুটির উল্লেখ করেছিলেন৷ দুটি ঘটনারই তদন্ত চলছে৷ ইন্দোনেশিয়া ইথিওপিয়াকে তদন্তের কাজে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে৷

ইঞ্জিনের মান নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণে বোয়িং কোম্পানি ২০১৭ সালের মে মাসে ৭৩৭ ম্যাক্স মডেলের পরীক্ষামূলক উড়াল বন্ধ রেখেছিল৷ ফ্রান্স ও অ্যামেরিকার দুই কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে সেই ইঞ্জিন তৈরি হয়৷ কিন্তু তারপর থেকে গোটা বিশ্বের বিমান সংস্থাগুলিকে এই মডেলের বিমান সরবরাহ করা হচ্ছে৷ ২০৩২ সাল পর্যন্ত বোয়িং কোম্পানির মোট উৎপাদনের ৬৪ শতাংশ এই মডেলের জন্য নির্ধারিত রয়েছে৷ ফলে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংশয় দূর না হলে কোম্পানি সংকটে পড়তে পারে৷

এসবি/জেডএইচ (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন