অভিবাসী নির্যাতনে জড়িত ইইউ সীমান্তরক্ষীরা | বিশ্ব | DW | 05.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

শরণার্থী সংকট

অভিবাসী নির্যাতনে জড়িত ইইউ সীমান্তরক্ষীরা

সোমবার জার্মান এবং ব্রিটিশ গণমাধ্যমে এ বিষয়টি উঠে আসে৷ অভিযোগ রয়েছে, এই বাহিনী সীমান্ত রক্ষার নামে মানবাধিকার লংঘন করছে৷

রিটার্নস নেটওয়ার্কের গবেষণায় দেখা গেছে, ইইউ সীমান্তের বাইরে বাস্তুচ্যূত মানুষের সঙ্গে ওই দেশের সীমান্তরক্ষীদের অমানবিক আচরণ তো মেনে নিচ্ছেই, এমনকি শরণার্থীদের প্রতি ফ্রন্টেক্স নিজেও একই ধরনের আচরণ করে যাচ্ছে৷

ফ্রন্টেক্সের নথি ঘেঁটে জানা গেছে, বাস্তুচ্যূত মানুষের ওপর নাইটস্টিক (বিশেষ বেত) আর পিপার স্প্রে প্রয়োগ করে সীমান্তের পাহারাদাররা৷ এমনকি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ধাওয়া দিতে ব্যবহার করা হয় কুকুর, যাতে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা দৌড়ে জঙ্গলে চলে যায়৷

এসব ঘটনায় গ্রিস, বুলগেরিয়া ও হাঙ্গেরির সীমান্তরক্ষীদের বেশি দায়ি করেছে রিটার্নস নেটওয়ার্ক৷ এসব ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযোগগুলো খারিজ করে দিয়েছে ফ্রন্টেক্স৷

এদিকে লিবিয়ার উপকূলে নজরদারিতে আছে ফ্রন্টেক্সের ড্রোন৷ বলা হয়, ওই এলাকাটা বিশ্বের সবচেয়ে বিপদসঙ্কুল হওয়ার পরেও শেষ একবছরে সেখানে কোনো উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়নি ইইউ-র প্রধান নৌ-মিশন৷  তারপরেও ওয়ারশকেন্দ্রিক ফ্রন্টেক্সের জন্য ড্রোন বা চালকবিহীন বিমান ক্রয়ে একশ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ দিচ্ছে ইইউ৷ রোববারের প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে অবজারভার৷

ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের জার্মান গ্রিনের সদস্য এরিক মারকুয়ারডাট জানিয়েছেন, ড্রোনগুলোকে জীবনরক্ষাকারী অনুষঙ্গ দিয়ে তৈরি রাখা এবং উদ্ধার কাজে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার বাধা নেই৷ তাঁর মতে, সেখানে একটি জাহাজের ঘাটতি রয়েছে৷

চলতি বছর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে ঢুকতে চাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে অন্তত চারশ' জন মারা গেছে৷ সীমান্তে নির্যাতন এবং সাগরে ডুবে মৃত্যু ঠেকাতে ইইউ-র অবহেলা আর অদক্ষতাকে ইঙ্গিত করে ভূমধ্যসাগরের ওই অংশে একটি চ্যারিটি জলযান আসছে৷ গত রোববার ফ্রান্সের মার্সেই বন্দর থেকে ‘ওশ্যান ভাইকিং' নামের ওই চ্যারিটি জাহাজটি রওনা দিয়েছে৷ যা আগামী সপ্তাহান্তে লিবিয়া উপকূলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে৷

টিএম/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন