অভিবাসন নীতি শিথিলে সরব মেলানিয়া ট্রাম্প | বিশ্ব | DW | 18.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

অভিবাসন নীতি শিথিলে সরব মেলানিয়া ট্রাম্প

অভিবাসন বিষয়ে হোয়াইট হাউজের নতুন নীতি শিশুদের বিচ্ছিন্ন করছে তাদের পরিবার থেকে৷ দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ায় সুর মিলিয়েছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও৷

রিপাবলিকানদের আইনপ্রণেতাদের সাথে নতুন অভিবাসন নীতি নিয়ে বৈঠকে বসার কথা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের৷

ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেক্সিকো সীমান্তেই অভিবাসী শিশুদের তাদের পরিবারের কাছ থেকে আলাদা করে ফেলা হচ্ছে৷ যুক্তরাষ্ট্র তো বটেই, এই নীতির সমালোচনায় সরব হয়েছে জাতিসংঘও৷

সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জাইদ রাআদ আল হুসেইন জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের এক বৈঠকে এমন নীতি থেকে সরে আসতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন৷

তিনি বলেন, ‘‘শিশুদের ওপর এমন নির্যাতন চালিয়ে বাবা-মাকে অভিবাসন থেকে নিরস্ত করার চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া যায় না৷’’

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন ডেমোক্র্যাটদের৷ একটি অভিবাসন আইন পাসে তাদের সমর্থন পেলেই এই অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব বলেও মন্তব্য তাঁর৷এক টুইটে ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘নতুন আইন পাসে ডেমোক্র্যাটদের রিপাবলিকানদের সাথে কাজ করা উচিত৷ ... ডেমোক্র্যাটরা তিনটি কাজে পারদর্শী, উচ্চ কর, উচ্চ অপরাধের হার এবং বাধা দেয়া৷’’

মধ্য এপ্রিল থেকে মে মাসের শেষ পর্যন্ত অন্তত দুই হাজার শিশুকে তাদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে৷ তবে কিভাবে পরবর্তীতে তারা আবার তাদের পরিবারে ফিরবে, এ নিয়ে কারো নেই কোনো স্পষ্ট ধারণা৷

ফার্স্ট লেডির মন্তব্য

মেলানিয়া সাধারণত রাষ্ট্রীয় নীতি নিয়ে প্রকাশ্য মন্তব্য করেন না৷ তবে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন তিনিও৷ তাঁর গণযোগাযোগ পরিচালক স্টিফানি গ্রিশাম সিএনএনকে জানিয়েছে, ‘‘মিসেস ট্রাম্প পরিবার থেকে শিশুদের আলাদা করে ফেলার বিরুদ্ধে৷ তিনি আশা করেন, শিগগিরই তারা এক হবে এবং একটি সফল অভিবাসন নীতি তৈরি হবে৷’’

গ্রিশাম বলেন, ‘‘মেলানিয়া বিশ্বাস করেন, আমাদের এমন একটা দেশ হতে হবে যেখানে সব আইন মেনে চলা হয়, কিন্তু দেশ পরিচালনা করা হয় হৃদয় দিয়ে৷’’

আইনপ্রণেতারাও এই নীতির সমালোচনায় মুখর হয়েছেন৷ তাঁদের মধ্যে আছেন কংগ্রেসের অনেক রিপাবলিকানও৷ মাইনের রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান সুজান কলিন্স মনে করেন, অভিবাসীদের ভুল বার্তা পাঠাচ্ছে প্রশাসন৷ ‘‘সন্তানদের নিয়ে সীমানা পাড়ি দিলে তাঁদের তোমার কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হবে৷ কিন্তু এই নীতি নির্দোষ শিশুদের মানসিকভাবে আঘাত করছে, যা আমাদের চিন্তাভাবনার পরিপন্থি৷’’

ট্রাম্পের নীতির বিরোধিতা করে প্রতিবাদ হয়েছে নিউ ইয়র্ক ও টেক্সাসে৷

এডিকে/এসিবি (এপি, রয়টার্স)

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন