‘অবশ্যই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখা উচিত′ | পাঠক ভাবনা | DW | 18.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন নিয়ে পাঠকদের ভাবনা

‘অবশ্যই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখা উচিত'

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  ক্ষমতায় গেলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখার কথা এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশ ছাড়া সরকারি চাকরিতে প্রবেশের কোনো বয়সসীমা না রাখার কথা বলেছে৷ এ সম্পর্কে পাঠকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া উঠে এসেছে ফেসবুক পাতায়৷

Bangladesch Oppositionspartei BNP-Führers Meeting in Dhaka

ফাইল ফটো

 পাঠক আরিফ শেখ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখার ব্যাপারটিকে ভালো সিদ্ধান্ত বলেই মনে করেন৷

আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  ক্ষমতায় গেলে যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের কোনো বয়সসীমা থাকবে না বলেছেএ সম্পর্কে মো. মাহবুব আলম লিখেছেন, ‘‘মানুষ নিজের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পাবে, হতাশা কাজ করবে না, যুব সমাজ পড়াশোনার মধ্যে থাকবে৷''

যদিও সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা না থাকার বিষয়কে পাঠক আহসান হাবিবের কাছে ‘হাস্যকর' বলে মনে হচ্ছে৷ জাহাঙ্গীর কবিরও মনে করেন এমন প্রতিশ্রুতি হাস্যকর৷ ঐক্যফ্রন্ট যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখার কথা বলেছে সে বিষয়ে জাহাঙ্গীর কবিরের মন্তব্য ‘‘রাজাকারদের সাথে নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে, এটা হাস্যকর৷''

আর পাঠক হাসান আল বান্না জীবন মনে করছেন,,  জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই ইশতেহার বাস্তবায়িত হলে সুদিন ফিরবে দেশের মানুষের৷ মানবিক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠবে বিশ্বে৷  গুম খুনে দেশ সর্বশান্ত হবে না৷ পাঠক বোরহান উদ্দিনও পাঠক জীবনের সাথে একমত৷

তবে ডয়চে ভেলের পাঠক জিয়াউর রহমানের মতামত একটু অন্যরকম৷ তিনি তাঁর মতামত জানিয়েছেন এভাবে, ‘‘অবশ্যই  যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখা উচিত, কারণ, আওয়ামীলীগের ভেতর যেসব যুদ্ধাপরাধী রয়েছেন তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী