অবশেষে বন্যার্তদের পাশে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট | বিশ্ব | DW | 13.08.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অবশেষে বন্যার্তদের পাশে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট

অবশেষে সময় হলো পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির৷ বন্যা শুরুর দুই সপ্তাহ পর তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে গেলেন৷ এদিকে পাকিস্তানের জন্য সাহায্যের পরিমাণ আরও এক দফা বাড়ালো যুক্তরাষ্ট্র৷

default

বন্যা শুরুর পর বন্যা কবলিত এলাকায় না গিয়ে ইউরোপ সফর করায় দেশ ও দেশের বাইরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন জারদারি৷ তাই দেশে ফিরে গতকাল যখন তিনি প্রথমবারের মত বন্যার্তদের দেখতে গেলেন, তখন তাঁর একটা ভয় ছিল মনে মনে, যে কী বলে সাধারণ জনগণ৷ তাই শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ছাড়া আর কোন চ্যানেলকে তার সফর কাভার করতে দেয়া হয়নি৷ এমনকি জনগণ কী বলছে তা যেন বোঝা না যায়, সেজন্য রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সফরের ছবি দেখানোর সময় শব্দ বন্ধ রাখা ছিল৷

এই সফরে জারদারি সিন্ধু প্রদেশের শুকুর এলাকায় যান৷ সেখানে একটি বাঁধ রয়েছে৷ বন্যার পানির তোড়ে যদি এই বাঁধ ভেঙে যায়, তাহলে বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ তবে বেশিরভাগ

Pakistan Hochwasser Flut

সময়ই জারদারি হেলিকপ্টারে করে ঘুরে বেড়িয়েছেন৷ মাত্র কিছুক্ষণের জন্য তিনি নিচে নেমেছিলেন বলে জানা গেছে৷ তাইতো প্রধান বিরোধী দল জারদারির এই সফরকে ‘খুব সংক্ষিপ্ত' ও ‘খুব দেরিতে করা' বলে সমালোচনা করেছে৷

আন্তর্জাতিক সাহায্য

এখন পর্যন্ত ১৯৫ মিলিয়ন ডলার সাহায্যের অঙ্গীকার পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে৷ পাকিস্তানে কর্মরত জাতিসংঘের জরুরি ত্রাণ সমন্বয়ক সংস্থার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দিয়েছেন এই তথ্য৷ তবে জাতিসংঘ মোট ৪৬০ মিলিয়ন ডলারের আবেদন করেছে৷ যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তার পরিমাণ তৃতীয়বারের মত বাড়িয়ে ৭৬ মিলিয়ন ডলার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে৷ এছাড়া বিভিন্ন দেশকে আরও সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসতে উৎসাহ দিতে মার্কিন সেনেটর জন কেরি আগামী সপ্তাহে পাকিস্তান সফরে যাবেন বলে জানা গেছে৷ উল্লেখ্য, কেরি হলেন মার্কিন সেনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটির প্রধান৷

ফসলের ক্ষয়ক্ষতি

ফসলের ব্যাপক ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে৷ বিশেষ করে গম, তুলা আর আখের৷ বন্যার কারণে পাকিস্তানের অবকাঠামো ভেঙে গিয়ে যেমন এক ধরণের ক্ষতি হয়েছে, তেমন ফসল ডুবে যাওয়ায় কৃষকের মাথায় হাত৷ কেননা এই ফসল বিক্রি করেই অনেক কৃষকের বছর চলতো৷ কিন্তু এখন এই পরিস্থিতিতে সামনের দিনগুলো কীভাবে কাটবে, তাই নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা৷

সর্বশেষ পরিস্থিতি

এ ব্যাপারে পাকিস্তানের প্রধান আবহাওয়াবিদ বলছেন, কিছু কিছু এলাকায় বন্যার পানির স্তর কিছুটা নেমেছে৷ তবে এখনো কিছু এলাকায় বৃষ্টির খবর পাওয়া যাচ্ছে৷ আর বর্ষাকাল শেষ হতে এখনো প্রায় তিন সপ্তাহ বাকি৷ এই সময়টাতে আরও বৃষ্টিপাতের কথা বলছে আবহাওয়া অফিস৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

বিজ্ঞাপন