‘অবরুদ্ধ নয় কাশ্মির’ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 03.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

‘অবরুদ্ধ নয় কাশ্মির’

কাশ্মীরে সাম্প্রতিক ক্র্যাকডাউন, গণগ্রেপ্তারসহ ভারত সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো সমালোচনা করলেও ক্ষমতাসীন বিজেপি সহসভাপতি বৈজয়ন্ত জয় পান্ডা বলছেন, কাশ্মীরকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়নি৷

ডয়চে ভেলের কনফ্লিক্ট জোন অনুষ্ঠানে কাশ্মীরের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে সরকারের পদক্ষেপগুলো কীভাবে গণতন্ত্রের সাথে খাপ খায়, সেই প্রশ্ন করা হয়েছিল পান্ডাকে৷

জবাবে তিনি বলেন, ভারত সরকার জম্মু ও কাশ্মীরে যুদ্ধের মত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে৷ পাকিস্তানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘সেদেশের পশ্চিমাঞ্চলে একটি দেশের সমর্থন নিয়ে সন্ত্রাসীরা ৪২ হাজার মানুষকে মেরে ফেলে৷’’

গত আগস্টে কাশ্মীরকে আধা-স্বায়ত্তশাসিত অবস্থান থেকে সরিয়ে সরাসরি কেন্দ্রের শাসনে নিয়ে আসে নয়াদিল্লি৷ এরপর সেখানে স্থবির অবস্থার সৃষ্টি হয়৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে কয়েক হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়৷

পান্ডা বলেন, ‘‘সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘লকডাউন' হিসেবে বর্ণনা করা ভুল ছিল৷ কারণ জম্মু ও কাশ্মীরের ৯৯ শতাংশ এলাকায় কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই৷’’

তার মতে, জম্মু ও কাশ্মীরের পশ্চিম সীমান্তে তাদের অঘোষিত যুদ্ধের মুখোমুখি হতে হয়েছিল এবং এ নিয়ে কারোর বিশেষ মনোযোগ ছিল না৷

সরকারি তথ্যে ঘেটে রয়টার্স বলছে, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই অঞ্চলের চার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল৷ এ বিষয়ে কনফ্লিক্ট জোনকে পান্ডা বলেন, ইতোমধ্যে অনেককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে৷ তবে গত সেপ্টেম্বরে রয়টার্সের এক প্রতিবেদককে ভারতের এক কর্মকর্তা বলেছিলেন, প্রায় এক হাজার ২০০ জনকে তখনও আটক রাখা হয়েছিল৷

ঠিক কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সেই প্রশ্নে পান্ডা বলেন, তিনি ঠিক জানেন না যে এটি চার হাজার জন কি না৷ তবে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ২০০ জনেরও বেশি রাজনীতিবিদ রয়েছেন৷

এ মাসের শুরুতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিনা কারণে বা বিনা বিচারে আটক সকল বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল৷ অন্য মানবাধিকার সংস্থাগুলোও এ নিয়ে বেশ সোচ্চার ছিল৷

 জননিরাপত্তা আইনের কথা উল্লেখ করে পান্ডা বলেন, "যখন কোথাও যুদ্ধের মত পরিস্থিতি থাকে তখন সেখানে এই আইনের আওতায় যে কাউকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আটক রাখা যায়৷'' এই আইনের আওতায় বিনা বিচারে দুই বছর কারাদণ্ড দেয়া যায়৷

অ্যালান ম্যাকেনজি/এসআই/কেএম

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন