1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

‘অবতার’-এর সিকুয়্যেল বানাতে পারেন ক্যামেরন

৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০

কল্পবিজ্ঞান মহাকাব্য ‘অবতার’-এর গগনচুম্বী সাফল্যে এর একটি সিকুয়্যেল বানানোর ইঙ্গিত দিলেন ক্যানাডীয় পরিচালক জেমস ক্যামেরন৷ এ ছবির অস্কার মনোনয়নের পর উত্তর আমেরিকা বক্সঅফিসে নতুন রেকর্ড গড়ে তিনি এ ইঙ্গিত দেন৷

https://p.dw.com/p/LvRD
‘অবতার’ ছবির পোস্টারছবি: 20th Century Fox

সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে ক্যামেরন বলেন, ‘‘আমরা এটা করে ফেলতে পারি৷ তার আগে আমাদের দেখতে হবে ছবিটা কি পরিমাণ পয়সা বানাতে পারে৷''

অবশ্য পয়সা নিয়ে ক্যামেরনের আটকানোর কথা না৷ কেননা, নিজের পরিচালিত ‘টাইটানিক'-কে ডুবিয়েই ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে ২ বিলিয়নেরও বেশি আয়ের রেকর্ড গড়েছে অবতার৷

সাই-ফাই এ ছবিটি পেয়েছে ‘সেরা ছবি', ‘সেরা পরিচালক'সহ কারিগরি ও প্রাযুক্তিক নানা বিভাগে মোট ৯টি অস্কার মনোনয়ন৷ এরপর বিজয়মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরেকটি পালক-‘নর্থ আমেরিকা বক্সঅফিস রেকর্ড'৷ যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডায় ৬০১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে অবতার৷ বলাই বাহুল্য, এ রেকর্ডও হল ‘টাইটানিক'-এর ৬০০ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ভেঙেই৷

Filmszene Avatar
‘অবতার’ ছবির একটি দৃশ্যছবি: 2009 Twentieth Century Fox

একের পর এক এতোসব রেকর্ড গড়ার পর গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে ক্যামেরন বলেছেন, অবতার-এর এতো রেকর্ড গড়ায় ‘‘সত্যিই'' বিস্মিত হয়েছেন তিনি৷ বিশ্বজুড়ে অবতার-এর সাফল্যে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘টাইটানিক এবং অবতার এর মধ্যে একদিক থেকে আমি একটা দারুণ সাদৃশ্য দেখতে পাই৷ এমন না যে দু'টো একরকম ছবি, আসলেই সেটা নয়৷ বিষয়বস্তুই পুরো আলাদা৷ কিন্তু উভয়ক্ষেত্রেই মানুষ ছবিটা দেখতে বারবার ফিরে এসেছে৷''

দু'টি ছবির ক্ষেত্রেই বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক সীমানা পেরিয়ে দর্শকদের মধ্যে ‘‘আবেগের একটা যোগসূত্রের'' কথা বললেন ক্যামেরন৷

প্রতিবেদন : মুনীর উদ্দিন আহমেদ

সম্পাদনা : আব্দুল্লাহ আল-ফারূক