অপরাধী ধরতে শিশু পর্নোসাইট চালাত অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ! | বিশ্ব | DW | 10.10.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অপরাধী ধরতে শিশু পর্নোসাইট চালাত অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ!

অপরাধী ধরতে প্রায় এক বছর ধরে ‘চাইল্ডস প্লে' নামের একটি জনপ্রিয় শিশু পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইট চালিয়েছে অষ্ট্রেলিয়ান পুলিশ৷ নরওয়ের এক সংবাদপত্রের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এই তথ্য৷

ভারডেনস গং বা ভিজি নামে পরিচিত নরওয়ের অন্যতম এই ট্যাবলয়েড পত্রিকা বেশ কিছুদিন ধরেই এ ধরনের স্পর্শকাতর কার্যক্রমের উপর অনুসন্ধান চালিয়ে আসছে৷ এরই অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার পুলিশের প্রায় ১১ মাস ধরে শিশু পর্নোসাইট চালানোর তথ্যটি প্রকাশিত হয়৷ ভিজির অনুসন্ধানে উঠে আসে, এ বছরের সেপ্টেম্বরে সাইটটি বন্ধ করে দেয়ার আগ পর্যন্ত এতে পুলিশের পক্ষ থেকে শিশুদের অপব্যবহার ও ধর্ষণসহ চরম অবমাননাকরপর্নোগ্রাফি আপলোড ও শেয়ার করা হয়েছে৷ গতবছর ‘চাইল্ডস প্লে' নামের এই সাইটের মূল চালক যুক্তরাষ্ট্র থেকে গ্রেফতারের পর কুইন্সল্যান্ড পুলিশের ‘টাস্কফোর্স আর্গস' এই ওয়েবসাইটটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়৷ যুক্তরাষ্ট্রে অপরাধী ধরতে এ ধরনের কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও অস্ট্রেলিয়ায় এর উপর আইনগত বাধা নেই৷

এর আগে মার্কিন পুলিশ ‘গিফটবক্স' নামের আরেকটি ফোরামে ‘চাইল্ডস প্লে' সাইটের মূল চালক ও তার সহযোগীর যোগাযোগের সূত্র ধরে তাদের গ্রেফতার করে৷ পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে অপরাধী ধরতে অপরাধমূলক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর ‘চাইল্ডস প্লে' সাইটের নিয়ন্ত্রণ নেয় অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ৷

বর্তমানে এ সাইটে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের প্রোফাইল রয়েছে, যার মধ্যে চার হাজারেরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ও অন্তত ১০০ জন রয়েছে যারা নিজেরাই শিশু ধর্ষণ করে তা রেকর্ড করে বা অন্য কারো দ্বারা শিশু ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে সেগুলো আপলোড করে৷

যদিও অস্ট্রেলিয়ার পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শিশু যৌন নিপীড়ণকারীদের ধরতে তাদের এ কার্যক্রম যৌক্তিক, এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো সাফল্যের খবর পাওয়া যায়নি৷ অন্যদিকে, ‘হানি ট্র্যাপ' হিসেবে এ সাইটে অসংখ্যশিশু নিপীড়ণমূলক ছবি ও ভিডিও পোষ্ট করেছিল আর্গস৷

ভিজি-র অনুসন্ধান অনুযায়ী, সারা বিশ্বে অন্তত ৬০ থেকে ৮০ জন মানুষের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা শুরুর প্রস্তুতি চলছে৷ এ অনুসন্ধানের সূত্র ধরে ক্যানাডায় এক ডজনেরও বেশি শিশুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে৷

আলিস্টেয়ার ওয়ালশ/আরএন

নির্বাচিত প্রতিবেদন