অন্যের জীবন বাঁচাতে সেমিফাইনাল দেখেননি ব্রিটিশ যুবক | বিশ্ব | DW | 09.07.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ড

অন্যের জীবন বাঁচাতে সেমিফাইনাল দেখেননি ব্রিটিশ যুবক

স্টেম সেল দান করে আরেকজনের জীবন রক্ষা করার প্রতিজ্ঞায় ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২০-এর ইংল্যান্ড বনাম ডেনমার্কের খেলা দেখতে যাননি এক ব্রিটিশ ফুটবল ভক্ত৷ 

ওয়েম্বলেতে ইউরো ২০২০-এর ওই সেমিফাইনালে যখন হাজার হাজার দর্শক ইংল্যান্ডে ও ডেনমার্করন লড়াই উপভোগ করছিল, ২৪ বছর বয়সি স্যাম অ্যাস্টলে তখন লন্ডনের এক হাসপাতালের বেডে শুয়ে স্টেম সেল দান করছিলেন৷ 

সেমিফাইনালের টিকিট পাওয়া এমনিতেই দুষ্কর৷ বান্ধবী বেথ হিল এক অনলাইন প্রতিযোগিতায় জিতেছিলেন দুটি টিকিট৷ 

কিন্তু জীবন বাঁচানোর প্রতিজ্ঞা যে রাখতে হবে! আর তাই সেমিফাইনাল দেখার চেয়ে স্টেম সেল ডোনেশনেই তৃপ্তি খুঁজে নিলেন এ যুবক৷  

স্টেম সেল দানের বিষয়টিকে কতটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন অ্যাস্টলে এ বিষয়ে বলতে গিয়ে তার বান্ধবী বেথ হিল সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘‘সে বলছিল আমি খেলা দেখতে যাচ্ছি না। যাওয়ার কোনো উপায় নেই৷ কারো জীবন বাঁচাতে সাহায্য করার সময় এটাই৷’’

তবে স্টেম সেল দেওয়ার জন্য অপারেশন থিয়েটারে থাকা অ্যাস্টলে ভুলেননি নিজ দেশের ঐতিহাসিক সেমিফাইনালের কথা৷  ডাক্তাররা জানান, অপারেশনের পর  ‘ফুটবল কামিং হোম’ গানটি গাইছিলেন অ্যাস্টলে৷  ১৯৯৬ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সময় গানটি বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল৷

এমন ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে৷ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরবদের তালিকায় আছেন অ্যান্থনি নোলান ট্রাস্ট নামের এক দাতব্য সংস্থা৷ এ সংস্থাটি অ্যাস্টলেকে স্টেম সেলের রোগীর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেয়৷ তাছাড়া ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার গ্যারি লিনেকারও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন অ্যাস্টলের৷    

এদিকে অ্যাস্টলে ও তার বান্ধবী হিলকে সুখবর দিয়েছে ইউরো ২০২০-এর স্পন্সর কোম্পানি ভিভো৷ স্মার্টফোন কোম্পানি এ জুটিকে তাদের অতিথি হিসেবে ইউরো-২০২০ ফাইনাল ম্যাচ দেখতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে৷  

আরআর/এসিবি (এএফপি) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন