অনুমতি ছাড়াই আশ্রয়প্রার্থীদের আটকের প্রস্তাব অস্ট্রিয়ার | বিশ্ব | DW | 26.02.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

অনুমতি ছাড়াই আশ্রয়প্রার্থীদের আটকের প্রস্তাব অস্ট্রিয়ার

নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হলে আদালতের অনুমতি ছাড়াই যে-কোনো আশ্রয়প্রার্থীকে আটক করতে পারবে অষ্ট্রিয়ার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী৷ দেশটির সরকার সোমবার এ সংক্রান্ত একটি আইন প্রণয়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন৷

নতুন এই আইন প্রণীত হলে কর্তৃপক্ষ সন্দেহভাজন যে কাউকে আদালতের অনুমতি ছাড়াই আটক করার ক্ষমতা পাবে এবং আটক ব্যক্তিকে নিরাপত্তা শিবিরে রাখা হবে৷

অষ্ট্রিয়াতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে আশ্রয় নিতে আসা ব্যক্তিদের ‘অভ্যর্থনা কেন্দ্রে' রাখা হয়৷ প্রস্তাবিত এই আইনের অংশ হিসেবে দেশটির অভ্যর্থনা কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে ‘প্রস্থান কেন্দ্র' করা হচ্ছে৷

অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্টিয়ান কুর্ৎস সাংবাদিকদের বলেন, আইন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ কাউকে আটক করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ করা বা এর পরিকল্পনা করা, ইত্যাদি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকতে হবে৷ তবে আটককৃত ব্যক্তির বিষয়টি আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি৷

তবে প্রস্তাবিত এই আইন পাস হতে হলে দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদের ভোটের প্রয়োজন হবে, যা অনেকটা অনিশ্চিত৷ কেননা দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেতে হলে ক্ষমতাসীনদের বিরোধী দলের ভোটের উপর নির্ভর করতে হবে৷

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যার্বার্ট কিকেল বলেন,  শরণার্থীদের আটক করার বিষয়ে এ ধরণের আইন শুধু অষ্ট্রিয়াই করছে না৷ ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড ও হাঙ্গেরিও এই ধরণের আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে বলে জানান তিনি৷

গত ফেব্রুয়ারিতে দেশটির একজন সরকারি কর্মকর্তাকে তুরস্কের বংশোদ্ভূত এক আশ্রয়প্রার্থী ছুরিকাঘাত করে৷ আশ্রয়প্রার্থী এ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে ২০০৯ সালে তাঁকে বের করে দেয়া হয়৷ পরে তিনি আবার অষ্ট্রিয়াতে এসে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেন৷ এ ধরনের ঘটনার প্রেক্ষাপটেই শরণার্থী বিষয়ে নতুন করে ভাবছে অষ্ট্রিয়া সরকার৷

এদিকে, নতুন এই আইনের বিষয়ে তুরস্কের এই আশ্রয়প্রার্থীর বিষয়টি উল্লেখ করলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যার্বার্ট কিকেল বলেন, তাঁরা মূলত অষ্ট্রিয়াতে অভিবাসীদের আশ্রয়ের আবেদনের ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করতে আইনটি করতে যাচ্ছেন৷

আরআর/ জেডএইচ (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন