অনিচ্ছার সিঁদুর মুছতে প্রাণ দিল টুনি | বিশ্ব | DW | 02.11.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

অনিচ্ছার সিঁদুর মুছতে প্রাণ দিল টুনি

বখাটের উত্ত্যক্তে প্রাণ দিল আরেক তরুণী৷ রয়েছে ঢাকায় হেলমেট না পড়া আর সিটবেল্ট না বাঁধার দায়ে মামলার খবর৷ আর যুদ্ধাপরাধের বিচারে সন্দেহভাজনদের আটকের নতুন সংশোধনী নিয়ে প্রতিবেদন৷ এসবই আজকের গণমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে৷

নারী উত্ত্যক্তের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে (ফাইল ফটো)

নারী উত্ত্যক্তের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে (ফাইল ফটো)

রূপালী'র আত্মহত্যা

‘বখাটের সিঁদুর-বিষে নিজেই নীল রূপালী' - দৈনিক কালের কণ্ঠের শিরোনাম এটি৷ সোমবার সকালে শিক্ষকের বাড়িতে পড়তে যাচ্ছিলেন রূপালী রানী ওরফে টুনি৷ কিন্তু বখাটে সুশীল মণ্ডল তাকে রাস্তা থেকে অপহরণ করে বাড়িতে নিয়ে যায়৷ এরপর টুনির সিঁথিতে জোর করে সিঁদুর পরিয়ে দেয় সুশীল৷ একটি ঘরে তালা দিয়ে আটকে রাখে তাকে৷ এরপর ঘন্টাখানেকের মধ্যেই আত্মহত্যা করে টুনি৷ সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের এই ঘটনা আজকের সব দৈনিকের প্রথম পাতায় জায়গা করে নিয়েছে৷ দৈনিক প্রথম আলো জানাচ্ছে, ‘এবার প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর'৷ টুনিকে অপহরণের পর ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মোশাররফ হোসেন৷ এদিকে, দৈনিক যুগান্তরের শিরোনাম, ‘ইভটিজিং নিয়ে সরকার বিব্রত'৷ গত কয়েকদিনে উত্ত্যক্তের ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা তিনজন৷

সড়ক নিরাপত্তা

দৈনিক সমকালের শিরোনাম, ‘হেলমেট, সিটবেল্ট'৷ গতকাল ঢাকায় অধিকাংশ মোটর সাইকেল আরোহী হেলমেট পড়েছেন৷ প্রাইভেট কারের চালকরা বেঁধেছেন সিটবেল্ট৷ তারপরও ভ্রাম্যমাণ আদালতে মামলা হয়েছে দেড় হাজার৷ তবে, অনেক পুলিশ সার্জেন্ট এই আইন মানেননি৷ এমনকি পুলিশের গাড়ির চালকরাও সিটবেল্ট বাঁধেননি৷ এই বিষয়টিকেই শিরোনামে তুলে এনেছে দৈনিক ইত্তেফাক, ‘চালকরা সচেতন, পুলিশই আইন মানেনি'৷

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এ দেখা যাচ্ছে এই খবর৷ শিরোনাম, ‘যুদ্ধাপরাধ: তদন্ত চলাকালীন গ্রেপ্তার করা যাবে'৷ তদন্ত চলাকালীন গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দিয়ে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের কার্যপ্রণালী বিধিতে ১০টি সংশোধনী আনা হয়েছে৷ এর ফলে একাধিক সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধীকে আটক সম্ভব হবে বলে মত দিয়েছেন আইনজীবীরা৷

এত মেধা অপকর্মে!

‘নকলের প্রশিক্ষণ চলত বাসায়, আমিনুল পড়তেন আঠারো ঘন্টা'৷ সম্প্রতি ভর্তি পরীক্ষায় মুঠোফোনের খুদেবার্তার মাধ্যমে নকল সরবরাহের অভিযোগ আটক হন কয়েক শিক্ষার্থী৷ মেধাবী এই শিক্ষার্থীরা নিজেরাও পড়তেন ঘন্টার পর ঘন্টা৷ দৈনিক কালেরকণ্ঠের তাই যুতসই শিরোনাম, ‘এত মেধা অপকর্মে'৷

গ্রন্থনা: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম

বিজ্ঞাপন