1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

শুরু হলো গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম

১৯ জুন ২০১৭

বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গণমাধ্যমের ভুমিকা অনস্বীকার্য– এ বাস্তবতা তুলে ধরে শুরু হলো দশম ডয়চে ভেলে গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম৷ গণমাধ্যমের প্রযুক্তিনির্ভরতাকে ব্যবসাসফল ও কল্যাণমুখী করার তাগিদ দিলেন উদ্বোধনী পর্বের বক্তারা৷

https://p.dw.com/p/2ewL0
Participants / Global Media Forum / June 19, 2017
ছবি: DW/K. Danetzki

গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামের এবারের স্লোগান অভিন্নতা ও বৈচিত্র্য৷ প্রতিবারের মতো গণমাধ্যম, অ্যাকাডেমিয়া, রাজনীতি, এবং উন্নয়ন সহযোগীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই কনফারেন্স৷ ১৩০টি দেশের ৬৫০ জন সাংবাদিক ৭৫০টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২,০০০ প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন এবারের কনফারেন্সে৷ এবারের কনফারেন্সে গুরুত্ব পাচ্ছে ব্রেক্সিট, ট্রাম্পের বিজয় ও জেনোফোবিয়াসহ জাতীয়বাদের ধারণা, ভুয়া সংবাদের প্রভাব এবং সাংবাদিকতায় প্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়গুলো

ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ
ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গছবি: DW/K. Danetzki

উদ্বোধনী পর্বে বক্তারা বাক স্বাধীনতা, বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে গণমাধ্যমের ভূমিকা, গণমাধ্যমে ডিজিটাল প্রযুক্তির বিকাশের প্রয়োজনীয়তা ও এর ক্ষতিকর দিক নিয়ে কথা বলেন৷ তাঁরা বলেন, গণমাধ্যম এখন নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি৷ একেই দিন দিন বাক মাধ্যমের ওপর আঘাত বাড়ছে, তারওপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিকাশের কারণে সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ঝুঁকিতে পড়ছে৷

ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ‘‘রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শুধু মানবাধিকার ইস্যুতেই পক্ষ নিতে পারে, অন্য কোনো বিষয়ে নয়৷'' যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ সব রাষ্ট্রপ্রধানের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘গণমাধ্যম আপনাদের শত্রু নয়, বরং এটিকে অনেকেই নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে৷ ''

বন শহরের মেয়র অশোক শ্রীধরণ বলেছেন, ‘‘যতই বাধা আসুক সাংবাদিকরা চুপ থাকবে না৷''

জার্মানির অর্থনীতি ও জ্বালানি বিষয়ক ফেডারেল মিনিস্টার ব্রিগিটে স্যুপ্রিস প্রযুক্তিকে আরো সহজলভ্য ও ভবিষ্যতের জন্য উন্নতি করতে তার সরকারের নানা উদ্যোগের কথা জানান৷ একইসঙ্গে ভুয়া সংবাদের বিস্তার ঠেকাতে আরো কার্যকর কিছু করার আগ্রহের কথা জানান৷

Musical Interlude: Identity and Diversity, Beethovenfest Bonn, Germany
তিনদিনের এই কনফারেন্স শেষ হবে বুধবারছবি: DW/K. Danetzki

তিনি বলেন, ‘‘ভিন্নমত থাকবেই৷ বিতর্কও করতে হবে৷ কিন্তু ইদানিীং ইন্টারনেটে কিছু কিছু বিতর্ক উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে৷ কারণ তাদের ভীত নেই৷'' তিনি মনে করেন, জনগণের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে, বিশেষ করে নির্বাচনের সময়, ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক মাধ্যমগুলো ভূমিকা রাখে৷ সেক্ষেত্রে প্রোপাগান্ডা বা ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিশেষ কিছু করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি৷

তিনদিনব্যাপী এই কনফারেন্স শেষ হবে বুধবার৷ মোট ৪০টি ইভেন্টে বৈশ্বিক নানা বিষয়ে গণমাধ্যমের ভুমিকা, সাংবাদিকতার উন্নয়ন, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিশ্বে গণমাধ্যমের নানা ধারা ইত্যাদি বিষয়ে
 বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্যানেলিস্টরা আলোচনা করবেন৷ শব্দ, শিল্প ও হাস্যরসও এবারের আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে৷ এছাড়া থাকছে এসব বিষয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শন৷

জেডএ/এসবি

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য