1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংলাপ

২৫ আগস্ট ২০১৭

নানা সংকটে জর্জরিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট কোনো রূপরেখা না থাকা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন৷ তাঁর জামাই জ্যারেড কুশনার আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন৷

https://p.dw.com/p/2io9L
বেথলেহেম শহরে ম্পকে স্বাগত জানাতে পোস্টার
ছবি: Reuters/J. Ernst

মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া আবার চাঙ্গা করে তুলতে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে আলোচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ উপদেষ্টা ও জামাই জ্যারেড কুশনার৷ক্ষমতায় আসার পরেই ট্রাম্প দুই পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির আশা প্রকাশ করেছেন৷ সেই উদ্যোগের আওতায় কুশনার ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই মুহূর্তে গোটা অঞ্চলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন৷ মিশর, সৌদি আরব, কাতার ও জর্ডানের পর এবার তিনি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি এলাকায় সংলাপ চালাচ্ছেন৷ উল্লেখ্য, গত মে মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি এলাকা সফর করে শান্তি প্রক্রিয়া তরান্বিত করার অঙ্গীকার করেছিলেন৷ কিন্তু সেই শান্তির কোনো স্পষ্ট রূপরেখা দিতে পারেনি ট্রাম্প প্রশাসন৷

ট্রাম্প যতই উৎসাহ প্রকাশ করুন না কেন, এই মুহূর্তে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি নেতৃত্ব পরস্পরকে কোনো ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়৷ তেল আভিভে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু কুশনারের সঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, অনেক বিষয়ে কথা বলার আছে৷ শুধু শান্তি চুক্তি নয়, গোটা অঞ্চলে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি আনার উদ্যোগের কথা বলেন তিনি৷ তবে তাঁর দফতর ‘গঠনমূলক' বিস্তারিত আলোচনা ছাড়া অন্য কোনো আশার আলো দিতে পারে নি৷ নিজের শিবিরের দক্ষিণপন্থি অংশের চাপে তাঁর পক্ষে ফিলিস্তিনিদের কোনো ছাড় দেওয়াকঠিন হবে৷ ফিলিস্তিনিদের বদলে আঞ্চলিক আরব শক্তিগুলির সঙ্গে বোঝাপড়ার প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে ইসরায়েল৷

পশ্চিম তীরে রামাল্লাহ শহরে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস কুশনার ও তাঁর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন৷ এক ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেন, কঠিন ও জটিল হলেও শান্তি আনার প্রয়াস অসম্ভব নয়৷

তবে ট্রাম্প নিজেদ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানসূত্রের বিষয়ে অঙ্গীকার না করায়ফিলিস্তিনি পক্ষ ক্ষুণ্ণ হয়েছে৷ উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার পর ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী৷ একটি রাষ্ট্রের মধ্যেই যদি তা সম্ভব হয়, তাতেও তিনি সমর্থন দিতে প্রস্তুত৷ এমন মন্তব্যের পর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বার বার নিজেদের অস্তিত্ব ভেঙে দিয়ে পশ্চিম তীরের প্রশাসনিক দায়িত্ব ইসরায়েলের হাতে তুলে দেবার হুমকি দিয়ে আসছে৷ একতরফাভাবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ঘোষণার বিষয়েও ভাবনাচিন্তা করছে পশ্চিম তীরের নেতৃত্ব৷ অধিকৃত এলাকায় ইহুদি বসতি নির্মাণ বন্ধ করার বদলে আরও নতুন বসতির অনুমতির কারণেও ফিলিস্তিনিরা শান্তির আশা করছে না৷

এসবি/ডিজি (এএফপি, এপি, ডিপিএ)