1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

জার্মানিতে করোনা সংক্রমণের হার দ্রুত বাড়ছে

২২ জুন ২০২০

রবিবারের হিসেব অনুযায়ী জার্মানিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের গড় হার ২.৮৮ ছুঁয়েছে৷ মাত্র দুই দিনের মধ্যে এমন বৃদ্ধির জন্য বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে দায়ী করা হলেও সার্বিকভাবে নতুন করে দুশ্চিন্তা দেখা দিচ্ছে৷

https://p.dw.com/p/3e8U2
Deutschland Berlin | Black Lives Matter | Protest gegen Rassismus
ছবি: Reuters/A. Hilse

বিশ্বজুড়ে করোনা সংকটের মাঝে জার্মানির ‘সাফল্য' অনেক দেশেই নজর কেড়েছে৷ পুরোপুরি লকডাউনের পথে না গিয়ে সামাজিক ব্যবধানের মতো নির্দিষ্ট কিছু বিধিনিয়ম চালু করে সংক্রমণের হার কমানো গেছে৷ পরিস্থিতির উন্নতির পর ধাপে ধাপে সে সব কড়াকড়ি শিথিল করার পরেও সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে থেকেছে৷ কিন্তু রবিবার রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, যে গোটা দেশে সংক্রমণের গড় হার আচমকা বেড়ে ২.৮৮ ছুঁয়েছে৷ এর মানে হচ্ছে, একজন করোনা রোগী ২.৮৮ জনকে সংক্রমিত করছেন৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংখ্যাটা ১ এর নীচে থাকা ভালো৷ শনিবার জার্মানিতে এই হার ছিল ১.৭৯৷ ফলে নতুন করে দুশ্চিন্তা দেখা দিচ্ছে৷ কারণ সংক্রমণ বাড়লে দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা কাঠামোর উপর বাড়তি চাপ পড়তে পারে৷

আচমকা এমন অবনতির পেছনে মূলত কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকেই দায়ী করা হচ্ছে৷ গ্যোটিঙেনের মতো শহরে অনেক মানুষ সামাজিক ব্যবধান বা কোয়ারান্টিনের নিয়ম মানছেন না বলে অভিযোগ উঠছে৷ রবিবার সেখানে কর্তৃপক্ষকে রাজপথে দাঙ্গা পুলিশ নামিয়ে কোয়ারান্টিন কার্যকর করতে হয়েছে৷ নর্থরাইন ওয়েস্টফেলিয়া রাজ্যে গ্যুটার্সলো শহরে এক বিশাল কসাইখানার ১,৩০০ জনেরও বেশি কর্মীর শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়েছে৷ ফলে আশেপাশের এলাকার প্রায় ৭,০০০ মানুষকে কোয়ারান্টিনে রাখতে হচ্ছে৷ স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ এই শিল্পখাতে এর আগেও এমন ব্যাপক সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আর্মিন লাশেট স্থানীয় পর্যায়ে আবার কড়া বিধিনিয়ম চালু করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না৷ উল্লেখ্য, তিনিই জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের উপর বিধিনিয়ম শিথিল করার জন্য চাপ দিয়ে আসছেন৷

রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, যে স্থানীয় পর্যায়ে সংক্রমণের হার মারাত্মক আকার ধারণ করায় গড় হিসেবের উপরও সার্বিক প্রভাব পড়ছে৷ গত কয়েক সপ্তাহে একাধিক বৃদ্ধাশ্রম, হাসপাতাল, শরণার্থী কেন্দ্র, কসাইখানা ও লজিস্টিক্স কোম্পানিতে এমন ব্যাপক সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে৷ মৌসুমি ফসল তোলার কর্মী ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যেও এমন প্রবণতা দেখা গেছে৷ রবিবারের হিসেব অনুযায়ী জার্মানিতে এখনো পর্যন্ত মোট ১৮৯,৮২২ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন৷ মৃতের সংখ্যা ৮,৮৮২৷

 

জার্মানির বাকি অংশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কড়াকড়ি শিথিল করার বিষয়ে বিতর্কের অবসান ঘটছে না৷ একদল অবশিষ্ট বিধিনিয়ম আরও শিথিল বা পুরোপুরি তুলে দেবার জন্য চাপ দিচ্ছে৷ অন্য শিবির নতুন করে সংকট এড়াতে সতর্কতা বজায় রাখার পক্ষে সওয়াল করছে৷ তারা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলিকে দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরছে৷

এসবি/জেডএইচ (রয়টার্স, ডিপিএ)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য