1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

ইরানে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট

৯ মে ২০২২

গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দ্বিতীয়বার ইরান গেলেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট।

https://p.dw.com/p/4B0Gk
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেই-এর সঙ্গে দেখা করেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেই-এর সঙ্গে দেখা করেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ। ছবি: Office of the Iranian Supreme Leader /AP/picture alliance

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদ রোববার ঝটিতি সফরে ইরানে গেছেন। সেখানে ইরানের সুপ্রিম নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনেই এবং প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।

২০১১সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। তারপর মাত্র একবারই ২০১৯ সালে ইরানে গেছিলেন আসাদ। রোববারের সফর তাই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইরানের সঙ্গে সিরিয়ার সম্পর্ক বরাবরই ভালো। গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে একাধিক দেশ আসাদের নিন্দা করলেও ইরান তার পাশেই থেকেছে। গৃহযুদ্ধে সিরিয়াকে আর্থিক এবং সামরিক সাহায্য করেছে ইরান।

ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের সুপ্রিম নেতা আসাদকে বলেছেন, ''এই সিরিয়া আর আগের মতো নেই। গৃহযুদ্ধে বহু ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু সিরিয়া আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। গোটা পৃথিবী সিরিয়ার কথা বলতে বাধ্য হচ্ছে। ইরান আগের মতোই সিরিয়ার পাশে থাকবে।''

ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসির সঙ্গে বৈঠক করছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ।
ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসির সঙ্গে বৈঠক করছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ। ছবি: AFP

সিরিয়ার সংবাদমাধ্যম এবং ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আসাদ বলেছেন, ইরান এবং সিরিয়ার যৌথ প্রয়াসেই ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্যে আটকে রাখা গেছে। তারা খুব বেশি শক্তিবৃদ্ধি করতে পারেনি। অ্যামেরিকাও ক্ষমতাবৃদ্ধি করতে পারেনি। ইরানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আসাদ।

ইরান এবং সিরিয়া দুই দেশই তীব্র ইসরায়েল-বিরোধী। মার্কিন-বিরোধিতাও তাদের মধ্যপ্রাচ্যে কাছাকাছি এনেছে। এদিন আসাদ ইরানের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়েরও প্রশংসা করেছেন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুই দেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, আসাদের ইরান সফর বর্তমান কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এএফপি)