1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

ইমপিচমেন্টের ‘ভূত' তাড়া করে বেড়াচ্ছে ট্রাম্পকে

৫ ডিসেম্বর ২০১৯

লন্ডনে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ‘উপহাসের' পাত্র হয়ে চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প৷ তিন জন আইন বিশেষজ্ঞ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন৷

https://p.dw.com/p/3UGC3
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প
ছবি: picture-alliance/dpa/E. Vucci

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার কারণে কতটা উদ্বিগ্ন, বিদেশ সফরেও তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে৷ লন্ডনে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে তিনি অপেক্ষাকৃত ‘সংযত' ছিলেন, অতীতের মতো বেফাঁস মন্তব্য করে বাকি নেতাদের অস্বস্তি বাড়িয়ে তোলেননি৷ তা সত্ত্বেও বিতর্ক ট্রাম্পের পেছন ছাড়েনি৷ উপস্থিত নেতাদের একান্ত কথোপকথনের একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছেন৷ সেই ভিডিওতে ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে রসিকতা করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ এমন উপহাসের পাত্র হয়ে ট্রাম্প ট্রুডোকে ‘দুমুখো' এবং মাক্রোঁকে ‘ন্যাস্টি' বা জঘন্য হিসেবে বর্ণনা করেন৷

নেতাদের সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করলেও সামরিক জোট হিসেবে ন্যাটোর ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছেন ট্রাম্প৷ নির্বাচনের বছরে তিনি ন্যাটোর ‘গৌরব' ফেরানোর কৃতিত্ব দাবি করেছেন৷ ট্রাম্পের মতে, তাঁরই চাপের কারণে সদস্য দেশগুলি প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াতে বাধ্য হয়েছে৷ এমনকি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ সম্প্রতি ট্রাম্পের নেতৃত্বে ন্যাটোকে ‘ব্রেন ডেড' হিসেবে বর্ণনা করে যে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন, সেই মন্তব্যেরও তীব্র সমালোচনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷

লন্ডনেও ইমপিচমেন্ট তদন্তের কালো ছায়া ট্রাম্পকে তাড়া করে বেরিয়েছে৷ ওয়াশিংটনে সংসদীয় কমিটির এক শুনানির সময় নির্ধারিত এক সংবাদ সম্মেলন আচমকা বাতিল করেন তিনি৷ ট্রাম্প বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দলের নেতাদের দেশাত্মবোধ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন৷ তবে তাঁর ব্যক্তিগত আইনজীবী রুডি জুলিয়ানির বিতর্কিত আচরণ সম্পর্কে তথ্য ফাঁস হওয়ায় কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন তিনি৷ সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, জুলিয়ানি কেন হোয়াইট হাউসের ব্যবস্থাপনা ও বাজেট দপ্তরের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না৷

এদিকে বুধবার মার্কিন সংসদের বিচার বিভাগীয় কমিটির সামনে তিন জন আইনের প্রোফেসর ইমপিচমেন্ট সম্পর্কে তাঁদের মূল্যায়ন পেশ করেছেন৷ তিন জন আইন বিশেষজ্ঞের মতে, ট্রাম্প যেভাবে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর কার্যকলাপের তদন্ত করতে ইউক্রেনের উপর চাপ সৃষ্টি করেছেন, সেই অপরাধ অবশ্যই ইমপিচমেন্টের কারণ হতে পারে৷ বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দল রবার্ট মালারের নেতৃত্বে রাশিয়া সংক্রান্ত তদন্তের ফলাফলের কিছু অংশকেও ইমপিচমেন্টের কারণ হিসেবে বিবেচনা করছে৷ চলতি মাসেই এ বিষয়ে সংসদের নিম্ন কক্ষে ভোটাভুটির উদ্যোগ নিচ্ছে বিরোধীরা৷

এসবি/এসিবি (এপি, এএফপি)