1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

জিহাদি জন নিহত?

১৩ নভেম্বর ২০১৫

আইএস কারো শিরশ্ছেদ করলেই ভিডিওতে দেখা যেত৷ হত্যার পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে ইসলামি এ জঙ্গি দলের হয়ে হুমকিও দিতেন তিনি৷ তাকে হত্যা করার জন্য সিরিয়ায় অভিযান পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷ হামলায় কি সত্যিই নিহত হয়েছেন ‘জিহাদি জন'?

https://p.dw.com/p/1H5Fa
Videostill Mohammed Emwazi alias Dschihadi John
ছবি: Reuters//SITE Intel Group

২০১৪ সালের আগস্ট মাসে প্রথম দেখা যায় তাকে৷ তখন যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক জেমস ফলিকে হত্যা করার ভিডিওচিত্র প্রচার করেছিল আইএস৷ সেই ভিডিওতে একরকম আইএস-এর মুখপাত্রের ভূমিকাতেই ছিলেন ‘জিহাদি জন'৷ এই নামে পরিচিতি পেলেও পঁচিশোর্ধ তরুণের আসল নাম মোহাম্মেদ এমওয়াজি৷ ইরাকি বংশোদ্ভূত এমওয়াজির জন্ম কুয়েতে৷ কুয়েতের নাগরিকত্ব না পাওয়ায় ১৯৯৩ সালে তার পরিবার চলে যায় ব্রিটেনে৷ সেই সূত্রে ব্রিটেনেই বেড়ে উঠেছেন, ইংরেজিটাও শিখেছেন ব্রিটিশ ঘরানার৷ আইএস-এর প্রকাশ করা ভিডিওচিত্রে ব্রিটিশ ঘরাণার ইংরেজিতেই কথা বলতে শোনা গেছে ‘জিহাদি জন'-কে৷

তাকে হত্যা করতে সিরিয়ার রাক্কা অঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র৷ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি পিটার কুক এ খবর নিশ্চিত করেছেন৷ তবে ‘জিহাদি জন' নিহত হয়েছেন কিনা সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি৷ তিনি জানান, হামলার ফলাফল বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, বিশ্লেষণ থেকে প্রাপ্ত তথ্য শিগগরই প্রকাশ করা হবে৷

তবে যুক্তরাষ্ট এবং ব্রিটেনের সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ ‘জিহাদি জন' নিহত হয়েছেন বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামরিক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে তারা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলাটি ছিল ‘নিখুঁত' আর তাই জিহাদি জন ‘বাষ্পীভূত'৷

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘‘চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা হামলার ফলাফল বিশ্লেষণ করছি৷ তবে প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত ধারণা থেকে বলা যায়, জিহাদি জন আর এই গ্রহে নেই৷''

জিহাদি জন সত্যিই নিহত হয়ে থাকলে এভাবে কোনো ‘জঙ্গিকেও' হত্যা করা ঠিক কিনা এ প্রশ্নে নিশ্চয়ই আলোচনা-সমালোচনা হবে৷ এই প্রশ্ন সামনে রেখেই তাঁর মতামত দিয়েছেন ডয়চে ভেলের গ্রেহেম লুকাস৷

Lucas Grahame Kommentarbild App
গ্রেহেম লুকাস, ডয়চে ভেলে

তিনি লিখেছেন, ‘‘সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ হলেই আইনের আওতায় না এনে কাউকে হত্যা করা যায় কিনা ওয়াশিংটন এবং লন্ডনের তা বলা উচিত৷ ড্রোন সহজলভ্য এবং কার্যকর বলেই তা ব্যবহার করা যাবে – এ কথা বললেই হবে না৷ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে গিয়ে তারা এটা করেছে – এই যুক্তিও যথেষ্ট নয়৷ এ সব সিদ্ধান্ত সরকারের বাইরের মানুষদের নেয়ার বিষয় নয়৷ এভাবে স্পষ্ট, গ্রহণযোগ্য ও আইনি ব্যখ্যা ছাড়া ড্রোনের ব্যবহার চালিয়ে গেলে আইনের শাসন এবং পাশ্চাত্যের গণতন্ত্রের সুনামের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হবে৷ ''

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য

আরো সংবাদ দেখান