1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

‘রিও+২০’

২৩ মে ২০১২

আগামী মাসে ব্রাজিলের রিও দে জানেরোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতিসংঘের ধরিত্রী সম্মেলন৷ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য এক বড় সুযোগ৷

https://p.dw.com/p/150tf
ছবি: Fotolia

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে একটি বাংলাদেশ৷ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে এই দেশটি যে ক্ষতির মুখে পড়ছে তা কাটিয়ে উঠতে প্রচুর অর্থ সহায়তা প্রয়োজন৷ এই সহায়তা আসতে পারে উন্নত রাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে৷

রিও সম্মেলনে মূলত অর্থ সহায়তার বিষয়ে আলোচনায় আগ্রহী বাংলাদেশ৷ এই আলোচনার টেবিলে বসার উপযোগী নেতৃত্বও সেদেশের রয়েছে৷ কিন্তু মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উন্নত বিশ্বের নেতাদেরকে বাংলাদেশের সমস্যাগুলো অনুধাবন করানো৷ বার্তাসংস্থা আইপিএস'এর সঙ্গে আলাপকালে রাজনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ এবং পরিবেশ অ্যাক্টিভিস্টরা জানিয়েছেন, ‘রিও+২০‘ সম্মেলনের সমঝোতার টেবিলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শক্তিশালী দলই থাকবে৷

বলাবাহুল্য, ২০ বছর আগে যখন রিও সম্মেলনের সূচনা হয়, তখন বাংলাদেশ দারিদ্র দূরীকরণ এবং শিশু ও প্রসবকালীন মৃত্যু রোধের মত বিষয় নিয়ে ব্যস্ত ছিল৷ বিশ বছর আগে এদেশ রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক দিক থেকে তেমন একটা পরিপক্ব ছিল না৷ কিন্তু বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ভালো৷ পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাসান মাহমুদ এই বিষয়ে জানিয়েছেন, স্বল্পোন্নত দেশ হলেও জাতিসংঘের সহস্রাব্দের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে৷

Überfluntungen in Bangladesch
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে একটি বাংলাদেশ৷ছবি: Sophie Tarr

কিন্তু বিশ্বের জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তাতে উদ্বিগ্ন এই মন্ত্রী৷ তিনি বলেন, জনসংখ্যা বাড়ার মানে হচ্ছে আরো শিল্পকারখানা তৈরি হবে এবং কার্বন নির্গমন আরো বাড়বে৷ আমরা যদি রিও বৈঠকের মূল বিষয়ের সঙ্গে জনসংখ্যার ইস্যুটি জুড়ে দিতে পারি, তাহলে আমার বিশ্বাস আমরা অনেক সমস্যার সমাধান পাবো৷

বলাবাহুল্য, আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছে এখন বাংলাদেশের চাহিদা ভিন্ন৷ জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় দেশটির বিভিন্ন খাতে টেকসই উন্নয়ন প্রয়োজন৷ রিও সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকতে পারেন কাজি খলিকুজ্জামান আহমেদ৷ পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন'এর এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘সকল টেকসই উন্নয়ন মানবকেন্দ্রিক হতে হবে এবং আমাদের অর্থনৈতিক, গবেষণা সংক্রান্ত এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রয়োজন৷ আমাদের নির্ভরযোগ্য সহযোগী প্রয়োজন, কিন্তু হতাশার কথা হচ্ছে আমাদের সহযোগীরা অতীতে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেই অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করেননি''৷

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রিও সামিট হতে পারে বাংলাদেশের জন্য এক ভিত্তি, যার উপর ভর করে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোতে এই দেশ অগ্রণী ভূমিকা পালনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবে৷ আগামী ২০ থেকে ২২শে জুন অবধি চলবে এই সম্মেলন৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম (আইপিএস)

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য