1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

পূর্ব ইউক্রেনে যুদ্ধ থামছে

১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

মিনস্ক সম্মেলন পূর্ব ইউক্রেনে শান্তি ফেরানোর সম্ভাবনা জাগিয়েছে৷ যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে সাক্ষর করেছে ইউক্রেন সরকার ও বিদ্রোহীরা৷ ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা৷

https://p.dw.com/p/1EZzz
Ukraine Konferenz in Minsk Merkel und Putin
ছবি: Reuters/M. Lazarenko

বুধবার সন্ধ্যা থেকে আলোচনা শুরু হলেও সারা রাতেও জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রসোঁয়া ওলঁদ, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেট্রো পোরোশেঙ্কোর আলোচনা থেকে কোনো সমাধান-সূত্র বেরিয়ে আসার খবর পাওয়া যায়নি৷ অন্যদিকে বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে এ বৈঠক শুরুর দিনেও যুদ্ধ চলেছে পূর্ব ইউক্রেনে৷ বুধবার রুশপন্থি বিদ্রোহীদের এক হামলায় ইউক্রেনের ১৯জন সেনাসদস্য মারা যায়৷

বৃহস্পতিবার সকালে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল জানায়, অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ইউক্রেনকে তারা ৪০ বিলিয়ন ডলার দেবে৷ এর একটু পরই মিনস্কে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইউক্রেনে বিবদমান দুই পক্ষ৷ স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ আগামী শনিবার থেকে পূর্ব ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি শুরু হবে৷ সব ভারি অস্ত্র সরিয়ে নেয়া হবে সেখান থেকে৷

ইউক্রেন সরকার এবং রুশপন্থি বিদ্রোহীরা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ায় জার্মানির চ্যান্সেলর ম্যার্কেল স্বস্তি প্রকাশ করেছেন৷ তাঁর মুখপাত্র স্টেফেন সাইবার্ট জানান, ১৭ ঘণ্টা আলোচনার পর যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হওয়ায় শান্তির আশা জেগেছে৷ রুশ প্রেসিডেন্ট পুটিন মনে করেন, সম্মেলনে যে প্রধান ইস্যুগুলি নিয়ে মতৈক্য হয়েছে সেটা খুব আশার কথা৷

এক যৌথ বিবৃতিতে জার্মানি, ফ্রান্স এবং রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতি তারা সম্মান দেখাবে৷ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেট্রো পোরোশেঙ্কো জানান, রুশপন্থি বিদ্রোহীরা যে অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে মিনস্ক সম্মেলনে সেটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি৷ তিনি বলেন, ‘‘শনিবার থেকে রবিবারের মধ্যে নিঃশর্তভাবে সাধারণ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হবে – আমাদের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন৷''

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য