1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

‘দিশেহারা’ বিএনপি

হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪

নির্বাচন বর্জনের পর বিএনপি এখন কী করবে? আবারো আন্দোলনে যাবে, না বিদেশিদের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির অপেক্ষায় থাকবে, ঠিক বুঝে উঠতে পারছেনা৷ সব মিলিয়ে পরবর্তী করণীয় নিয়ে বিএনপি এখন অনেকটা দ্বিধাগ্রস্ত৷

https://p.dw.com/p/1B4mM
Bangladesch Khaleda Zia vor den Wahlen
ছবি: DW/M. Mamun

গত ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন বর্জনের পর খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপি-র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মত ছিল লাগাতার হরতাল-অবরোধ চালিয়ে যাওয়া৷ আর এর মধ্য দিয়েই সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে সরকারকে সরিয়ে সব দলের অংশগ্রহণে আরেকটি নির্বাচনে বাধ্য করা৷ তবে এই রকম আন্দোলনে ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফ্রেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সফল হলেও শেষ পর্যন্ত এবার বিএনপি সে পথে হাঁটেনি বা হাঁটতে পারেনি৷

তারেক রহমানের পরামর্শ অনুযায়ী নির্বাচনের পর লাগাতার কোনো আন্দোলন কর্মসূচিতে যায়নি, বরং আন্দোলন থেকে সরে এসেছে৷ এমনকি নতুন আন্দোলন কবে শুরু করতে পারবে তাও নিশ্চিত নয়৷ বরং বিএনপি-র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এখন দল গোছানোর কথা বলছেন৷ বলছেন, আগে দল গুছিয়ে তারপর আন্দোলনে যাবেন৷ আর সংসদ নির্বাচন বর্জন করলেও এখন উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তারা৷

বিএনপি-র চেয়ানপার্সনের উপদেষ্টা আহমেদ আজম অবশ্য ডয়চে ভেলেকে বলেন, করণীয় নিয়ে দলের মধ্যে কোন দ্বিধা দ্বন্দ্ব নেই৷ তারা আন্দোলনে আছেন এবং আন্দোলনেই থাকবেন৷ আন্দোলনে দেশের সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে তারা একটু সময় নিচ্ছেন৷ আর দল গোছানো হচ্ছে আন্দোলনকে শক্তিশালী করার জন্যই৷ তারা এখন সভা-সমাবেশসহ নানা ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করবেন৷ দল গোছানো হলেই চূড়ান্ত কর্মসূচি দেবেন৷ তাঁর কথা, সাধারণ মানুষ এই সরকারকে চায়না৷ এটি একটি ‘অবৈধ' সরকার৷ এই সরকারকে বিদায় করা হবেই৷ তিনি দাবি করেন, এ জন্য বিএনপি তেমন বেশি সময় নেবেনা৷ দেশের মানুষকে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে৷

বিএনপি-র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বৃহস্পতিবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেছেন৷ জেল থেকে ছাড়া পাওয়া ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদসহ আরো কয়েকজন মুক্ত নেতা সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন৷ বৈঠকের বিষয় নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ কথা না বললেও দলের পরবর্তী করণীয় নিয়ে বৈঠকে কথা হয়েছে বলে জানা গেছে৷ জানা গেছে, বিএনপি তাদের পরবর্তী করণীয় নিয়ে মাঠ পর্যায়ের নেতাদের মতামত জানতে চায়৷ আর নির্বাচন বর্জন কতটুকু সঠিক হয়েছে, সে নিয়ে মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে৷ তবে শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে ত্যাগ করার পক্ষে নয় নয় বিএনপি-র শীর্ষ নেতৃত্ব৷ বরং বিএনপি-র মধ্যে যারা জামায়াত বিরোধী আখেরে তাদের বিপাকেই পড়তে হবে৷

আর জামায়াতও ‘ধরি মাছ নাই ছুঁই পানি'-র মধ্যে থাকবেনা বলে জানা গেছে৷ হয় তাদের পুরোপুরি কাছে রাখতে হবে, নয় তাদের ব্যাপারে নতুন কোন অবস্থান থাকলে তা স্পষ্ট করতে হবে বিএনপিকে৷

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য