1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

GTZ সম্পর্কে জানতে চাই

আমি একজন নিয়মিত শ্রোতা৷ আমার খুব ভাল লাগে তরতাজা ও সত্যনিষ্ঠ খবরসহ ডয়চে ভেলের সাপ্তাহিক অনুষ্ঠানগুলো৷আমাদের জন্য এত সুন্দর অনুষ্ঠান করার জন্য ধন্যবাদ জানাই৷

default

আমরা অত্যন্ত আনন্দিত, কারণ প্রতি অনুষ্ঠানে পাঠানো চিঠি বা ইমেল পড়া হচ্ছে যা আমাদের দারুণভাবে উত্সাহিত করছে অনুষ্ঠান শুনতে এবং মতামত পাঠাতে৷ আপনারা আমাদের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক, তা চিঠি পড়লেই বুঝতে পারি৷৩৫ বছর ধরে নিরলসভাবে আমাদের জন্য অনুষ্ঠান উপহার দিচ্ছেন৷ আমাদের বিশ্বাস, আপনাদের সাথে দীর্ঘদিন সম্পর্ক আছে এবং ভবিষ্যতে তা রাখতে পারবো৷ ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগ একটি বৃহৎ পরিবার বা বৃহৎ গণমাধ্যম৷ আপনাদের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সরবরাহ করা৷ এই ধারা আজীবন অব্যাহত রাখার আবেদন রাখছি৷ ভালো থাকবেন৷ উত্তর পেলে ভীষণ খুশি হব৷ মহ:হাফিজুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল মিতালি লিসনার্স ক্লাব, চুপী পূর্বস্থলী বর্ধমান, ভারত৷

আমি নিয়মিত অনুষ্ঠান শুনি৷ সব তথ্যই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে বিজ্ঞান বিষয়ক তথ্য৷ মাইদুল ইসলাম মিলন, গঙ্গাছড়া, রংপুর৷

১৩ জানুয়ারি রাতে কঠিন শীতের মধ্যে মিডিয়াম ওয়েভে নির্বিঘ্নে ঢাকা, নতুন দিল্লিসহ লেবাননের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর রিপোর্ট, ব্রাজিলের বন্যায় হতাহতের খবর শবনম মুশতারির কণ্ঠে ‘মোরে ডেকে লও সেই দেশে’ নজরুলগীতি এবং ফিচার পর্ব পশ্চিমের জানালায় এস্টোনিয়ার টালিন শহরের সাংস্কৃতিক উৎসব এবং এই প্রজন্মে বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলা পাঠশালায় ছাত্র-ছাত্রীদের বাংলা ভাষা শিক্ষার ওপর সাক্ষাৎকারমূলক প্রতিবেদনটি শুনে আমরা ক্লাবের সবাই ভীষণ মুগ্ধ হয়েছি৷ মোখলেসুর রহমান, কুষ্টিয়া৷

আমি প্রতিদিন আপনাদের খবর শুনি, খুব ভালো লাগে আগামীতে আরো আপডেট খবর শোনাবেন আশাকরি৷ ভালো থাকবেন৷ ওমেদুল ইসলাম৷ omedul.phy@gmail.com

শহীদুল আলমের দৃক ফটোগ্রাফি নিয়ে পরিবেশনাটি ভালো লাগলো৷ সুশান্ত বৈদ্য, জলিরপাড়, গোপালগঞ্জ৷

প্রথমে আমার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা নেবেন৷ ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের সকল শ্রোতা ও কলাকুশলীকে আমার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা দেবেন৷ আশাকরি ভাল আছেন৷ আমিও ভাল আছি৷

অনেক দিন ধরে লিখব লিখব ভাবছি, কিন্তু বিভিন্ন কারণে লেখা হচ্ছে না৷ আজ আবার শুরু করলাম৷ কিন্তু জানিনা আমার লেখা প্রচারিত হবে কিনা?

বাংলাদেশের উন্নয়নে অনেক বিদেশি এনজিও বাংলাদেশে কাজ করছে, তেমনি একটি জার্মান এনজিও হল জিটিজেড(GTZ) ডয়চে ভেলের মাধ্যমে জিটিজেড (GTZ) সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই৷ আরো জানতে চাই জিটিজেড ছাড়া আর কোনও জার্মান এনজিও বাংলাদেশে কাজ করছে কিনা?

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিশ্বে জার্মানির বিশেষ সুনাম আছে, আমি জানতে চাই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জার্মানি কতটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে এবং পারমাণবিক চুল্লী হতে কতটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে৷

পরিশেষে বলতে চাই, আমরা যতই মানবতা ও মানবাধিকারের কথা বলিনা কেন, আসলে জোর যার মুল্লুক তার – এটাই বাস্তব সত্য৷ তা না হলে ভারতের বিএসএফ প্রায় প্রতিদিন গুলি করে নিরীহ বাংলাদেশীদেরকে হত্যা করেছে, কিন্তু কেউ কিছু বলছেনা৷ না বলছে সরকার, না বলছে মানবাধিকার সংস্থা৷ মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা বুঝি ফিলিস্তিনে আছি, আর আমাদের বন্ধু (শত্রু) রাষ্ট্র ভারত হচ্ছে সেই ইসরায়েল৷ ইসরায়েল যেমন ফিলিস্তিন সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণ করেছে, ভারতও সেই একই ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণ করছে৷ সেই সাথে নিয়মিত অনুশীলন হিসাবে নিরীহ লোকদের হত্যা করছে৷ গত দুইদিন আগেও দিনে দুপুরে ভারতের বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে ১০/১২ বছরের একটি মেয়েকে হত্যা করছে৷ ১০/১২ বছরের এই মেয়েটি কি সন্ত্রাসী? এই নিয়ে ডয়চে ভেলে হতে একটি বিশেষ বিশ্লেষণধর্মী ধারাবাহিক পরিবেশনা চাই৷

মায়ানমার(বর্মা)র জনগণ, যারা সীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশে চলে এসেছে (যারা বাংলাদেশে রোহিঙ্গা নামে পরিচিত) তারা বাংলাদেশের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর বা তাদের জন্য বাংলাদেশ বা বাংলাদেশের জনগণ, বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য সরকারই বা কি করছে এই নিয়ে ডয়চে ভেলে হতে বিস্তারিতভাবে একটি বিশেষ প্রতিবেদন চাই৷

আশাকরি আমার ই-মেলের জবাব দেওয়া হবে এবং খুব শীঘ্রই উল্লিখিত অনুষ্ঠানগুলো পাব এই প্রত্যাশায় বিদায়৷ ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছাসহ, মাহফুজুর রহমান, ঝাকুনীপাড়া, কুমিল্লা৷

আমি ডয়চে ভেলের বাংলা অনুষ্ঠানের নিয়মিত শ্রোতা৷ রাতের অধিবেশনটা শুনি৷ দিনেরটা রেডিওতে সম্প্রচার হয়না তাই শোনা সম্ভব হয়না৷ তাই আমার অনুরোধ, রবিবারের সকালের ইনবক্স, শনিবার বা অন্য কোনদিন রাতের অনুষ্ঠানে প্রচার করলে ভালো হয়৷ তাহলে যাঁরা শুধু রেডিও অনুষ্ঠান শোনেন, তাঁরা মিডিয়াম ওয়েভে দুটো ইনবক্সই শুনতে পারবেন৷ ইয়াসমিন খাতুন, শাহাবাজার, হুগলী, ভারত৷