1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

৬ বছরের শিশুকে ইমামের বিয়ে, তোলপাড় সামাজিক মাধ্যম

৬০ বছরের বৃদ্ধের ছয় বছরের শিশুকে বিয়ের ঘটনা নতুন করে আতঙ্কিত করেছে আফগানিস্তানের শিশু অধিকার কর্মীদের৷ অবৈধ হলেও এ ধরনের বিয়ের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে, যার কঠোর বিচারের দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠগুলো৷

৬০ বছরের বৃদ্ধের ছয় বছরের শিশুকে বিয়ের ঘটনা নতুন করে আতঙ্কিত করেছে আফগানিস্তানের শিশু অধিকার কর্মীদের৷ অবৈধ হলেও এ ধরনের বিয়ের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে, যার কঠোর বিচারের দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠগুলো৷

যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, সেখানে দেখা যায় আফগানিস্তানের ৬০ বছরের ইমাম করিম বিয়ে করেছেন ছয় বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে৷ মেয়েটি ভিডিওতে কাঁদছে, মেয়েটির বাবাও সেখানে উপস্থিত৷ কিন্তু বোঝা যায় বাবাকেও ভীষণ ভয় পায় সে৷

প্রথমে মেয়েটির পরিবার দাবি করেছিল যে করিম মেয়েটিকে এক মাস আগে অপহরণ করে বিয়ে করেছে৷ তবে পরে তদন্তে দেখা গেছে একটি ছাগল এবং কিছু অর্থের বিনিময়ে মেয়েটিকে ইমামের কাছে বিক্রি করেছে মেয়েটির বাবা৷ শিশু নির্যাতনের দায়ে বর্তমানে করিম এবং মেয়েটির বাবা দু'জনই পুলিশ হেফাজতে আছে৷ আর মেয়েটিকে রাখা হয়েছে একটি সেফ হোমে৷

বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আফগানিস্তানের গ্রামগুলোতে বাল্যবিবাহের ঘটনা প্রায়ই ঘটে৷ ২০১২ সালের জাতিসংঘের এক গবেষণায় দেখা গেছে, আফগানিস্তানসহ ৪১ টি দেশে শতকরা ৩০ ভাগেরও বেশি মেয়েদের ১৮ বছরের আগেই বিয়ে হয়৷ আর আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, সেখানে শতকরা ২১ ভাগ মেয়ের বিয়ে হয় ১৫ বছরের আগে৷

আফগানিস্তানে মেয়েদের বিয়ের বৈধ বয়স ১৫ থেকে ১৬ বছর এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৮৷ কিন্তু দারিদ্রের কারণে মেয়েদের পরিবার অর্থের বিনিময়ে তাদের অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা৷

আফগানিস্তানের এক শিশু অধিকার কর্মী ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে বাল্যবিবাহের ঘটনা বেড়েই চলেছে৷ আর এর বেশিরভাগ ঘটনাতেই দেখা যায় স্থানীয় ইমামরা একাধিক শিশুকে বিয়ে করে৷ বিনিময়ে মেয়ের বাবা-মা কে অর্থ দেয়৷

আফগানিস্তানের অপরাধ আইন অনুযায়ী, ইমাম করিম অপরাধী সাব্যস্ত হলে মাত্র দু'বছরের কারাভোগ করতে হবে তাকে৷ শিশু অধিকার কর্মীরা বরাবরই এ ধরনের অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছেন৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিবার যেহেতু অর্থের বিনিময়ে মেয়েটির বিয়ে দেয়, তাই পুলিশের কাছে গিয়ে রিপোর্ট করার ঘটনা তোমন একটা ঘটে না৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়