1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

২ কোটি টাকা জঙ্গি অর্থায়ন, একজন গ্রেপ্তার

প্রায় দুই কোটি টাকা জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে মোশতাক খা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি৷ তুরস্ক থেকে একটি এনজিওর নামে ঐ টাকা এনে জঙ্গি অর্থায়নের কাজে লাগানো হয়েছে বলে ধারণা সিআইডির৷

সোমবার রাত ৮টার দিকে ২৬ বছরের মোশতাক খাকে সিলেটের হবিগঞ্জ থেকে আটক করা হয়৷ মঙ্গলবার সকালে তাকে ঢাকায় সিআইডি সদর দপ্তরে আনা হয়৷ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১০ বছর আগে অবৈধভাবে তুরস্ক যান মোশতাক৷ তুরস্কে তিনি বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ বিদেশে থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, এনজিও, গার্মেন্টস ও ব্যক্তির নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন করেন তিনি৷ দেশে ফেরেন পাঁচ বছর আগে৷ এর পর থেকে আটটি প্রতিষ্ঠান ও একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে এক কোটি ৮৯ লাখ টাকা লেনদেন করেছেন মোশতাক৷

সিআইডি-র বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘মোশতাক তুরস্কে গিয়ে মাদ্রাসায় পড়াশুনা করেছে৷ ২০১৪ সালে তার বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মামলা হয়৷ তার ফেসকুকের আইডি থেকে তাকে শনাক্ত করা হয়৷ দেশে আল কাওসার নামে নিবন্ধনহীন একটি এনজিও পরিচালনা করতেন মোশতাক৷ এই এনজিওর মাধ্যমে ২০১৪ সালের জুন থেকে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে ওই টাকা তুরস্ক থেকে আনা হয়৷ ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা আনা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নেয়া হয়নি৷ ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে সে এই টাকা আনে৷''

অডিও শুনুন 03:08

‘মোশতাকের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যাদের মাধ্যমে বাংলাদেশে এই টাকা বিতরণ হয়েছে, তেমন কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম বলেছে মোশতাক৷ টাকা আনার পরই তা দ্রুত বিতরণ করা হয় বলে জানায় সিআইডি৷

সিআইডি জানায়, ‘‘মোশতাকের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে৷ এগুলোর মধ্যে রয়েছে বিস্ফোরক, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মারামারির মামলা৷ তুরস্কে যাওয়ার আগে সে ইসলামি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল বলেও জানা গেছে৷ টাকা লেনদেনের উৎস সম্পর্কে সদুত্তর দিতে না পারায় মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷''

মোল্যা নজরুল জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই টাকা বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে দানের কথা জানিয়েছে মোশতাক৷ ‘‘সেইসব ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে আমরা জঙ্গি অর্থায়নের তদন্তের গভীরে যেতে চাই৷ আমরা জানতে পেরেছি সে তার বাড়ি হবিগঞ্জ এলাকায় জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল৷ সরাসরি কোনো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সে জড়িত কিনা এবং কোনো জঙ্গি সংগঠনকে সরাসরি অর্থ দিয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে৷ তবে প্রাথমিকভাবে  মনে হচ্ছে সে জঙ্গি অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত৷''

এদিকে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, যেসব জঙ্গি বিদেশে পলাতক রয়েছে, তাদের ধরতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়া হবে৷ ‘‘আমরা এরই মধ্যে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি জঙ্গিদের একটি অংশকে চিহ্নিত করতে পেরেছি'', বলছেন মনিরুল৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়