1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

২২-২৪ আগস্টের অন্বেষণ কুইজের বিজয়ী

জার্মানিতে একটি পরিত্যক্ত খনিকে টেকসই জ্বালানির উৎস হিসেবে ব্যবহার করার অভিনব প্রক্রিয়া চলছে৷ গত কুইজের প্রশ্ন ছিল – খনিটা কিসের? সঠিক উত্তর কয়লার খনি৷ এতে ফেসবুকে মোট উত্তর এসেছে ৪৫২টি৷

সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে থেকে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়েছে৷ এবারের বিজয়ী হয়েছেন মামুনুর রহমান৷ আপনাকে অভিনন্দন৷ অনুগ্রহকরে আপনার বিস্তারিত ঠিকানা, ই-মেল অ্যাড্রেস ডয়চে ভেলে বাংলার ফেসবুক পেজের মেসেজ বক্সে পাঠিয়ে দিন৷ তাহলেই আপনার পুরস্কার পৌঁছে যাবে আপনার হাতে৷

তবে উনি ছাড়াও অন্যান্য যাঁরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ৷ বন্ধুদের সবার কাছে আমাদের বিশেষ অনুরোধ, আপনাদের বন্ধুদেরও এই প্রতিযোগিতার কথা জানাবেন৷ জানাবেন ডয়চে ভেলের টেলিভিশন অনুষ্ঠান অন্বেষণ এবং ওয়েবসাইটের কথা৷

আমাদের অন্বেষণ কুইজ নিয়মিত আয়োজন করা হয় প্রতি শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত৷ আর সোমবার আমাদের ফেসবুকে এবং ওয়েবসাইটের ‘পাঠক ভাবনা' পাতায় প্রকাশ করা হয় বিজয়ী বন্ধুর নাম৷

উল্লেখ্য, অন্বেষণ অনুষ্ঠানের হ্যাশট্যাগও রয়েছে৷ বাংলায় #অন্বেষণ আর ইংরেজিতে #onneshon লিখে ফেসবুক, টুইটারে মন্তব্য করা যাবে৷

আবারো ধন্যবাদ সকলকে৷ তার সঙ্গে ডয়চে ভেলের সকল বন্ধুদের জন্য রইলো শুভেচ্ছা৷ বন্ধুরা, একটা ব্যাপার আমরা প্রায়ই লক্ষ্য করে থাকি যে, এই কুইজে অংশগ্রহণ করার পরে আর অনেকেই ফেসবুকে বা ওয়েবসাইটে ঢোকেন না৷ দেখা যায়, প্রতি সোমবার বিজয়ী বন্ধুর নাম জানানোর পরও কেউ কেউ তাঁদের পোস্টাল অ্যাড্রেস আমাদের কাছে পাঠান না৷ এতে আমাদের কিছুটা সমস্যায় পরতে হয়৷ আমাদের বিশেষ অনুরোধ যাঁরা অন্বেষণ কুইজে অংশ নিয়ে থাকেন, তাঁরা অন্তত একবার হলেও সোমবার ফেসবুকে এবং ওয়েয়েবসাইটের পাঠক ভাবনাতে দেখবেন কে বিজয়ী হয়েছেন৷

এবার মতামত

ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের ওয়েবসাইটের সবগুলি পাতাই তথ্যে ভরপুর, যা আমার দারুণ লাগে৷ জার্মানির ‘ব্যার্গ পার্ক' বা পাহাড়ি পার্ক সম্পর্কে মোট ১১টা ছবির মাধ্যমে জানতে পারলাম৷ সত্যি বলতে কি ছবিঘরের মাধ্যমে আরো অনেক অজানা বিষয়ে জানা জায় ডয়চে ভেলের ওয়েবসাইটে৷ ছবিঘর ডয়চে ভেলের ওয়েবসাইটকে অনেক বেশি সুন্দর করে তোলে, যেমন একজন মা তাঁর বাচ্ছাকে আদর-যত্ন, লালন-পালন করে বড় করে তোলে, ডয়চে ভেলেও তার সুন্দর পরিবারকে নানা রকম তর্থ্য দিয়ে অনেক সুন্দর করে তুলছে৷ ধন্যবাদ ডয়চে ভেলেকে৷ এভাবেই চালিয়ে যান – আমার এই শুভকামনা রইল৷ এভাবেই মন্তব্য করেছেন হাট সিমলা, সমুদ্র গড়, বর্ধমান, ভারত থেকে প্রদীপ বসাক৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন