1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

২০১১ সালের জনগণনায় জাতপাতের তথ্য রাখা নিয়ে সরকার দোলাচলে

ভারতে ২০১১ সালের জনগণনায় জাতপাতের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা উচিত কিনা, তাই নিয়ে দেশজুড়ে যে বিতর্ক শুরু হয়, তাতে বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকেও সরকার কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি৷

default

ভারতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও কি জাতপাতের জটিলতায় ডুবে যাবে?

সময় কিনতে আপাততঃ বিষয়টিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে এক মন্ত্রী-গোষ্ঠীর হাতে৷

জনগণনায় জাতপাতের বিষয়টিকে তথ্য হিসেবে অন্তর্গত করা বা না করা নিয়ে মনমোহন সিং সরকার অযথা জলঘোলা না করে আপাততঃ বিষয়টিকে হিমঘরে রাখাটাই শ্রেয় মনে করেন৷ তাই বুধবারের মন্ত্রিসভায় এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি৷ কারণ মন্ত্রিসভাতেও ছিল মতভেদ৷ এমাসের প্রথম সপ্তাহে মন্ত্রিসভার বৈঠকেও সহমত ছিলনা৷ বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকে স্থির হয়, এই স্পর্শকাতর ইস্যুটির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে গঠন করা হবে এক মন্ত্রীগোষ্ঠী, যার নেতৃত্ব করবেন খুব সম্ভবতঃ অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়৷ মন্ত্রী গোষ্ঠীর রিপোর্টের ভিত্তিতে সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন৷

জনগণনায় জাতপাতকে অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধী শিবির মনে করেন, এতে দেশকে ঠেলে দেয়া হবে মধ্যযুগীয় জাতপাত ব্যবস্থার দিকে৷ বিবিধতায় ভরা ভারতের মত জনবহুল এই দেশে জনগণনার বিপুল কর্মযজ্ঞের লক্ষ হওয়া উচিত ভবিষ্যৎ, অতীত নয়৷ এই প্রচেষ্টা দেশকে আরো বিভাজিত করবে৷ বহু মানুষ জাতের তথ্যকে অপব্যবহার করবে নিজেদের স্বার্থে৷ সরকারি সুবিধা নিতে মিথ্যা পরিচয় দেবে৷ ফলে পরিসংখ্যানগত ত্রুটি থেকে যাবে৷

অন্যদিকে, ভারতে জাতপাত নিয়ে রাজনীতি করার লোকের অভাব নেই৷ শুধু রাজনীতি কেন, আর্থ-সামাজিক সব ক্ষেত্রেই ভারতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পরিচালিত হয় এই জাতপাতের নিরিখে৷ তাহলে কেন সেই তথ্য জনগণনায় নেওয়া হবেনা? এই শিবিরে আছে সমাজবাদি পার্টি,আর জে ডি, জেডি (ইউ)-র মতো দলগুলি৷

উল্লেখ্য, ১৯৩১ সালের জনগণনায় শেষ জাতপাতের পরিচয় নিয়ে তথ্য সংগৃহীত হয়েছিল, বিশেষ করে তফশিলি জাতি ও জনজাতিগুলির৷ তারপর থেকে আ কোন জনগণনায় জাত-পরিচয় নিয়ে কোন প্রশ্ন রাখা হয়নি৷

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি
সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়