1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘‘১৬ কোটি মানুষ নিয়ে এ তামাশা বন্ধ করুন ম্যাডাম''

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ‘যৌক্তিক পরিণতিতে না পৌঁছানো পর্যন্ত' আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন৷ চলমান সংকট সমাধানের চাবিকাঠি সরকারের হাতে উল্লেখ করে সংলাপের কথা বলেন তিনি৷

তিনি বলেন, ‘‘দেশ আজ গভীর সংকটে৷ এই সংকট রাজনৈতিক৷ এর স্রষ্টা আওয়ামী লীগ, নির্দিষ্ট করে বললে শেখ হাসিনা৷ জনগণের সম্মতি ছাড়া রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হয়েছেন তিনি৷ আওয়ামী লীগ একতরফা সিদ্ধান্তে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাদ করে দিয়েছে৷''

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলন ছাড়া আর কোনো পথ খোলা রাখা হয়নি৷ তাই তাঁরা আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন৷ তবে একে আন্দোলন বলে কিনা তা নিয়ে ফেসবুকে প্রশ্ন তুলেছেন ফাহিম হোসেন৷ খালেদা জিয়ার বক্তব্য ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় শেয়ার করা হলে সেখানে তিনি এই প্রশ্ন রাখেন৷

এদিকে, খালেদা জিয়ার বক্তব্যে হতাশা প্রকাশ করেছেন শরিফুল হাসান৷ ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘‘ম্যাডাম জিয়া পুরো জাতি আজ আপনার দিকে তাকিয়ে ছিল৷ কিন্তু আড়াই মাস ধরে আন্দোলন করে জাতিকে নিয়ে কী তামাশা আপনি করে গেলেন? ৪০ মিনিট ধরে কী বক্তব্যটা দিলেন আপনি?

....আপনি সাংবাদিকদের ডেকে প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এভাবে পালিয়ে যান কেন? আপনি কী তবে আসলেই বিএনপির কোনো অংশের হাতে বন্দি? একটা দেশ আর ১৬ কোটি মানুষ নিয়ে এই তামাশা বন্ধ করুন ম্যাডাম জিয়া৷''

বিএনপি চেয়ারপার্সনের বক্তব্য শুনে মাহবুবুল হক শাকিলের মনে হয়েছে, তিনি (খালেদা) পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যার উৎসব চালিয়ে যাবেন এবং এভাবেই তিনি সফল হবেন বলে মনে করেন৷ শরিফুল হাসানের মতো তিনিও সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর না দেয়ার বিষয়টির সমালোচনা করেছেন৷ ফেসবুকে শাকিল লিখেছেন, ‘‘বিএনপি নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন গণমাধ্যমের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে৷ কারণ, সারা বিশ্বে তিনিই একমাত্র একের পর এক প্রশ্নোত্তরবিহীন সঙ-বাদ সম্মেলন করার নজির স্থাপন করেছেন৷''

শাহ নেওয়াজ নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী চলমান সংকটের জন্য প্রধানমন্ত্রী দায়ী বলে মনে করেন৷ ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় তিনি লিখেছেন, ‘‘দেশের বর্তমান সমস্যার জন্য প্রধানমন্ত্রী দায়ী৷ তিনি নিজের এবং তাঁর দলের জন্য সব কিছু করেছেন, সংবিধানকে যাচ্ছেতাইভাবে সাজিয়েছেন৷ শুধুমাত্র ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশে সাধারণ মানুষ, নতুন ভোটার, পরীক্ষার্থী কারোর কথাই তিনি ভাবেন নাই৷ প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ যত দ্রুত সম্ভব আমাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন৷ দেশের মানুষের মনে শান্তি ফিরিয়ে আনুন৷....আমরা বোকা মানুষ৷ তাই বলেই বা কী লাভ? তিনি তো কারো কথাই শোনেন না! কিন্তু এটা হলফ করে বলতে পারি ক্ষমতায় চিরদিন কোনো ব্যক্তি বা দল থাকতে পারে নাই, তিনিও পারবেন না৷''

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়