1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

হোয়াটসঅ্যাপের কেন এত চাহিদা?

১৪ বিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নিয়ে কার্যত প্রযুক্তি বিশ্বে সাড়া জাগিয়েছে ফেসবুক৷ অনেকের মনেই প্রশ্ন, কী এই হোয়াটসঅ্যাপ? কেনই বা এত দাম তার? চলুন নজর দেয়া যাক, হোয়াটসঅ্যাপের ইতিহাসের দিকে৷

ইয়াহুর দুই সাবেক কর্মী ব্রায়ান অ্যাক্টন এবং জ্যান কুম ২০০৯ সালে হোয়াটসঅ্যাপ প্রতিষ্ঠান করেন৷ মূলত ইংরেজি শব্দ ‘হোয়াটস আপ' থেকে ‘হোয়াটসঅ্যাপ' নামটি নিয়েছেন তারা৷ আর ধারণাটা অনেকটা স্কাইপের মতোই৷ এক স্মার্টফোন থেকে আরেক স্মার্টফোনে মেসেজ পাঠানো যাবে বিনা খরচায়, মুঠোফোন সেবাদাতার ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে৷ এক্ষেত্রে বাড়তি কোনো ডাটা চার্জ প্রযোজ্য হবে না৷ স্কাইপও একই পদ্ধতিতে ভয়েস ডাটা ট্রান্সফার করে৷

হোয়াটসঅ্যাপ প্রতিষ্ঠাতারা শুরু থেকেই তাদের অ্যাপ-কে বিজ্ঞাপনদাতা, গোয়েন্দা সংস্থার নিয়ন্ত্রণ থেকে দূরে রেখেছেন৷ এই অ্যাপ ব্যবহারকারীদের তথ্য যাতে তৃতীয় কোনো পক্ষ না পায়, সে ব্যাপারে সচেষ্ট তারা৷ নীতিগত এসব ব্যাপার ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জনে সহায়তা করেছে৷

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফেসবুক বিপুল অর্থের বিনিময়ে অ্যাপ-টি কিনে একটি ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে৷ অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই ওয়েবসাইটটি এখন মুঠোফোন এবং ট্যাবলেটের দিকে নজর দিচ্ছে৷ কারণ মানুষ এখন ক্রমশই কম্পিউটারের চেয়ে বিভিন্ন মোবাইল ডিভাইস ব্যবহারের বেশি আগ্রহী৷ তাই ব্যবসার স্বার্থে মোবাইল ডিভাইসেও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা জরুরি৷

শুধু ফেসবুক নয়, মাইক্রোসফটও ভবিষ্যৎ দেখছে মোবাইল ডিভাইসে৷ যে কারণে কিছুদিন আগে পাঁচ বিলিয়ন ইউরোর বেশি খরচ করে নোকিয়ার মোবাইল ইউনিট কিনে নেয় প্রতিষ্ঠানটি৷

প্রসঙ্গত, হোয়াটসঅ্যাপ যে কেউ বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারেন৷ তবে ব্যবহারের দ্বিতীয় বছর থেকে ৯৯ সেন্ট বাৎসরিক ফি দিতে হয়৷ এই সেবা ব্যবহার করে স্মার্টফোন থেকে সহজেই ছবি, ভিডিও, অডিও এবং টেক্সট মেসেজ পাঠানো যায়৷ মেসেজ পাঠানোর বিকল্প এই উপায় দ্রুতই স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের নজর কাড়ে৷

বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪৫০ মিলিয়নের বেশি৷ প্রতিদিন পাঁচ বিলিয়ন মেসেজ আদানপ্রদান হয় এই অ্যাপের মাধ্যমে৷ ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে রয়েছেন ৫০ জন কর্মী৷ এদের মধ্যে ত্রিশজনই ইঞ্জিনিয়ার৷

এআই/এসবি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন