হেফাজতের মামলায় সরকারের ধীরে চলো নীতি | বিশ্ব | DW | 23.07.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

হেফাজতের মামলায় সরকারের ধীরে চলো নীতি

গত মে মাসে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধ ও মতিঝিলে সমাবেশকে কেন্দ্র করে তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে অগ্রগতি হয়নি৷ তাত্‍ক্ষণিকভাবে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তার বাইরে নতুন কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি৷

তবে ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম ডয়চে ভেলেক জানান, তারা গুরুত্বপূর্ণ আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছেন৷

গত ৫ই মে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধ এবং মতিঝিলের শাপলা চত্তরে সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকায় ব্যাপক তাণ্ডবের ঘটনা ঘটে৷ বিশেষ করে মতিঝিল, পুরানা পল্টন, নয়াপল্টন, বায়তুল মোকাররম, তোপখানা ও গুলিস্তান এলাকা ধংসস্তূপে পরিণত হয়৷ গভীর রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে হেফাজত কর্মীদের শাপলা চত্তর থেকে উচ্ছেদ করে যৌথ বাহিনী৷ ৫ই মে থেকে ৬ই মে ভোর পর্যন্ত এইসব ঘটনায় মোট ১৯ জন নিহত হন এবং ঢাকায় মোট ৩৬টি মামলা হয়৷

হেফাজত, জামায়াত ও বিএনপি-র নেতা-কর্মীসহ কয়েক হাজার লোককে এইসব মামলায় আসামি করা হলেও, হেফাজতের আমির আল্লামা শফীকে কোনো মামলাতেই আসামি করা হয়নি৷ বরং তাঁকে নিরাপদে চট্টগ্রামে পৌঁছে দেয়া হয়েছিল৷ একমাত্র শীর্ষ নেতা মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়া হলেও তিনি পরে জামিনে ছাড়া পান৷ তবে তাত্‍ক্ষণিকভাবে পুলিশ হেফাজতের ৪০ জন কর্মীকে গ্রেপ্তার করে৷ তাঁদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর, এখন তাঁরা কারাগারে আছেন৷

৩৬টি মামলার তিনটির তদন্ত করছে গোয়েন্দা বিভাগ৷ বাকি ৩৩টি মামলা তদন্ত করছে থানা পুলিশ৷ কিন্তু মতিঝিলসহ কোনো থানার তদন্ত কর্মকর্তাই মামলার তদন্তে অগ্রগিত সম্পর্কে মন্তব্য করতে চাননি৷ তাঁদের কথা, তদন্ত পর্যায়ে কথা বলায় বাধা আছে৷ তবে তাঁরা সবাই জানান যে, নতুন কোনো গ্রেপ্তার নেই৷

ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান যে, তাঁরা সরকারের নির্দেশের অপেক্ষায় আছেন৷ আর এখন একটু ধীরে চল নীতি গ্রহণ করেছেন তাঁরা৷ ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম অবশ্য জানান যে, তাঁরা মামলাগুলোর তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন এবং নিয়মিত মনিটর করছেন৷ তিনি জানান, এখন তারা ছোটখাট নয় মূল আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা করছেন৷ হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে মাওলানা মঈনুদ্দীন, রুহি, নূর হোসাইন কাসেমী, লতিফ নিজামীসহ আরো অনেকে এই মামলার আসামি৷ মনিরুল ইসলাম জানান, মূল আসামিরা সম্ভবত আত্মগোপনে আছেন৷ মোবাইল ফোনও বন্ধ৷ তবে মাঝে মধ্যে তাঁদের ইফতার পার্টিসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দেখা যায় ৷ তাই সে সব জায়গাতেই তাঁদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে৷ এই যেমন, গত সপ্তাহে হেফাজত ঢাকায় একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছিল৷ তবে পুলিশের তত্‍পরতার মুখে তা পণ্ড হয়ে যায়৷ যুগ্ম কমিশনার মামলার তদন্তে ধীরে চলো নীতির কথা অস্বীকার করে বলেন, আইনের নিজস্ব গতিতেই মামলার তদন্ত হচ্ছে৷

এদিকে গোয়েন্দা বিভাগের হাতে থাকা তিনটি মামলার তদন্ত অগ্রগতি জানতে চাইলে উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান ডয়চে ভেলেকে বলেন, মামলার তদন্ত আরো জোরদার করা হয়েছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়