1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

হেফাজতের নায়েবে আমিরের মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ

চট্টগ্রামে জমিয়াতুল উলুম আল মাদ্রাসায় এক বিস্ফোরণে ৫ জন ছাত্র আহত হয়েছেন৷ মাদ্রাসাটির পরিচালক হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরী৷ পুলিশ দু'জনকে আটক করলেও, তাত্‍ক্ষণিকভাবে বিস্ফোরণের কারণ জানা যায়নি৷

default

(ফাইল চিত্র)

চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকার বিশাল মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের একটি চারতলা ভবনের তৃতীয় তলায় সকাল ১১টার দিকে রহস্যজনক ঐ বিস্কোরণটি ঘটে৷ ভবনটি দারুল ইফতা বিভাগের৷ বিস্ফোরণের পর পরই সেখানে আগুন লেগে যায়৷ চট্টগ্রামের সাংবাদিক নাসিরউদ্দিন তোতা ডয়চে ভেলেকে জানান, বিস্ফোরণের আওয়াজে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়৷

এই ঘটনায় মোট পাঁচজন মাদ্রাসা ছাত্র আহত হয়েছেন৷ তাঁদের মধ্যে একজনের হাতের কব্জি উড়ে গেছে৷ কিন্তু ঘটনার পর, কোথায় তাঁদের চিকিত্‍সার জন্য ভর্তি করা হয়েছে, তা জানা যায়নি৷ নাসিরউদ্দিন তোতা জানান, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আহতদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির কথা বললেও, তাঁদের সেখানে গিয়ে পাওয়া যায়নি৷ তবে বিস্ফোরণের পর একজন ছাত্র দাবি করেন যে, কম্পিউটারের ইউপিএস থেকে বিস্ফোরণের পর আগুন লেগে যায়৷

ঘটনার পর পরই ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশের লোকজন ছুটে যান৷ সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুর রউফ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর জানান, বিস্ফেরণে ছাত্ররা আহত হওয়া ছাড়াও কয়েকটি কম্পিউটার ও আসবাব-পত্র পুড়ে গেছে৷ জানালার গ্রিল উড়ে গেছে এবং সিলিং ফ্যান বেঁকে গেছে৷ যেহেতু তাঁরা যাওয়ার আগেই বিস্ফোরণ স্থলে পানি দেয়া হয়েছে, তাই তাঁরা নিশ্চিত নন কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে৷ তবে মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি ইজহারুল ইসলাম পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন যে, কম্পিউটারের ইউপিএস বিস্ফোরণের কারণেই আগুন লেগেছে৷ আর আহত ছাত্ররা কোথায় আছেন, তা তাঁর নিজেরও জানা নেই বলে দাবি করেছেন তিনি৷

চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান ডয়চে ভেলেকে জানান, তাঁরাও ঠিক নিশ্চিত নন যে কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে৷ ঘটনাস্থলে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে৷ তাঁরা এখন আলামত সংগ্রহ করছেন৷ তাঁদের রিপোর্টেই আসল কারণ জানা যাবে৷ জানা যাবে এটি নাশকতা না দুর্ঘটনা৷ পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দু'জন মাদ্রাসা ছাত্রকে আটক করে জিজ্ঞাসবাদ করছে বলে জানান তিনি৷ এদিকে বর্তমানে, মাদ্রাসার বিস্ফোরণস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ৷

লালখান বাজারের জমিয়াতুল উলুম আল মাদ্রাসাটি পাঁচ একর জায়গা জুড়ে৷ প্রাচীন এই কওমি মাদ্রাসাটিতে মোট ৮টি ভবন রয়েছে৷ মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির এবং নেজামে ইসলামের একাংশের চেয়ারম্যান৷

ওদিকে বিস্ফোরণের পর মাদ্রাসার চারদিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগ বিক্ষোভ মিছিল করে মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বলে প্রকাশ৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়