1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

হেনার দাফন সম্পন্ন, গ্রেপ্তার হয়নি ধর্ষক

আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছে সরকার, এরকমই খবর গণমাধ্যমের শিরোনামে৷ রয়েছে শরীয়তপুরের চামটা গ্রামে ধর্ষণের পর দোররায় নিহত কিশোরীকে নিয়ে প্রতিবেদন৷

default

প্রতীকী ছবি

আড়িয়ল বিল

আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণ বিষয়ে শিরোনাম করেছে অধিকাংশ পত্রিকা৷ দৈনিক ইত্তেফাকের শিরোনাম, ‘বিমানবন্দর হচ্ছে না আড়িয়ল বিলে'৷ ঢাকার সচিবালয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের বরাতে এই খবর প্রকাশ করেছে ইত্তেফাক৷ বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, সবাই না চাইলে আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর হবে না৷ জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না৷ একই বিষয়ে দৈনিক কালের কণ্ঠের শিরোনাম, ‘জনগণ না চাইলে আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর হবে না: প্রধানমন্ত্রী'৷ মন্ত্রিসভায় উপস্থিত এক মন্ত্রীর সূত্রে এই খবর প্রকাশ করেছে কালের কণ্ঠ৷

এখানে বলা প্রয়োজন, গত সোমবার আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণের বিরোধিতা নিয়ে সৃষ্ট সহিংসতায় প্রাণ হারায় এক পুলিশ কর্মী৷

হেনার দাফন সম্পন্ন

দৈনিক প্রথম আলোর শিরোনাম, ‘বিবেকের কড়া নেড়ে গেল কিশোরী হেনা'৷ বুধবার বিকেলে হেনার দাফন সম্পন্ন হয়েছে৷ হেনার প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, সালিশে প্রথমে তাকে মাটিতে গেড়ে পাথর মারার নির্দেশ দিয়েছিলেন মাওলানারা৷ কিন্তু পরবর্তীতে দোররা মারার শাস্তি দেওয়া হয়৷ এদিকে, ধর্ষক মাহাবুব ও ফতোয়াবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শরিয়তপুরবাসী৷ একই বিষয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর শিরোনাম, ‘হেনার মৃত্যু প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা ছিল: হাইকোর্ট'৷ হেনার মৃত্যু প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল তা জানাতে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক ও নড়িয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে ১৫ দিনের সময় দিয়েছে হাইকোর্ট৷

শাস্তি ও অপরাধ নিয়ে গণমাধ্যমে মতপার্থক্য

দৈনিক প্রথম আলো হেনার বাবা দরবেশ খাঁ'র বক্তব্য প্রকাশ করেছে ঠিক এইভাবে, ‘‘আমার মেয়েকে ধর্ষণ করার পর কোনো বিচার পেলাম না৷ উল্টো মেয়েকে বিচারের মুখোমুখি হয়ে জীবন দিতে হলো৷'' এছাড়া পত্রিকাটির বক্তব্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে সালিশ বৈঠকে হেনাকে দোররা মারা হয়৷ অন্যদিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর প্রতিবেদন বলছে, পরকীয়া সম্পর্কের জেরে দরবেশ খানের মেয়ে হেনা আক্তারকে (১৪) স্থানীয় সালিশে একশ'টি দোররা মারার এক সপ্তাহ পর গত সোমবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়৷

গ্রন্থনা: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়