1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

হিটলারের আত্মজীবনী ‘মাইন কাম্ফ’ নিষিদ্ধ করার দাবি

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া ইহুদি সম্প্রদায়ের ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে হিটলারের জাতিবিদ্বেষমূলক বই ‘মাইন কাম্ফ’ বা ‘আমার সংগ্রাম’-এর পুনঃপ্রকাশ বন্ধ করে দেয়ার জন্য দাবি করা হয়৷ জার্মানিতে আজও এ বই নব্য নাৎসিদের উদ্দীপনা জাগায়৷

Afghanistan - Adolf Hitler Mein Kampf

কাবুলে বিক্রি হচ্ছে ‘মাইন কাম্ফ’

২০১৫ সালের শেষ নাগাদ শেষ হয়ে যাবে ‘কপিরাইটের' মেয়াদ৷ ইহুদি কংগ্রেসে বলা হয়, এই রচনাটি চরম ইহুদি বিদ্বেষমূলক এবং ইতিহাসের বিশাল গণহত্যায় প্রেরণা জাগিয়েছে৷ আজও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নব্য নাৎসিরা তাদের বর্ণবৈষম্যমূলক প্রচারণার ক্ষেত্রে এই বই-এর সহায়তা নিয়ে থাকে৷ জাতিভেদের ব্যাপারে যুক্তি উত্থাপন করে থাকে৷

জার্মান-ইহুদি-কেন্দ্রীয় পরিষদের প্রাক্তন প্রধান শারলটে ক্নোবলখ এই প্রসঙ্গে বলেন যে, তিনি হিটলারের ‘মাইন কাম্ফ' পুনঃপ্রকাশের কঠোর বিরোধী৷ জার্মানিতে এই বই-এর কপি ও প্রচার করাও নিষিদ্ধ করতে হবে বলে দাবি জানান তিনি৷

Charlotte Knobloch

জার্মান-ইহুদি-কেন্দ্রীয় পরিষদের প্রাক্তন প্রধান শারলটে ক্নোবলখ

বইটির মুদ্রণ ও বিক্রি নিয়ে অনেক বছর ধরে জার্মানিতে বিতর্ক চলে আসছে৷ সাংসদ, ইহুদিদের কেন্দ্রীয় পরিষদ ও ইতিহাসবিদরা বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন৷

সাধারণত লেখকের মৃত্যুর ৭০ বছর পর কপিরাইটের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়৷ এই নিয়ম অনুযায়ী ইউরোপব্যাপী ‘মাইন কাম্ফ'-এর কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাবে ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ৷ এরপর যে কেউ এটি ছাপাতে পারে৷

সম্প্রতি রাজ্যের আইনমন্ত্রীদের এক সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়৷ এতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সংখ্যালঘু ও বর্ণবৈষম্যমূলক বই পুস্তক ও লেখালিখির ব্যাপারে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ যার মধ্যে এই বইটিও পড়ে৷

Werbung - Adolf Hitler Mein Kampf

হিটলারের বইয়ের বিজ্ঞাপন (ফাইল ফটো)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির দক্ষিণে অবস্থিত বাভারিয়া রাজ্য বইটির প্রকাশনাস্বত্ব পায়৷ তারপর থেকে দেশে ও বিদেশে এটির পুনর্মুদ্রণ ও বিস্তৃতি রোধ করার চেষ্টা করে আসছে রাজ্যটি৷ অবশ্য জার্মানিতে ‘মাইন কাম্ফ' সম্পর্কে অনেক কিছু বলা হলেও আজ পর্যন্ত বইটির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা হয়নি৷

ইহুদি ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে বলা হয়, বই-এর দোকানে হিটলারের মাইন কাম্ফ চোখে পড়লে হলোকস্ট বা ইহুদি নিধনযজ্ঞে বেঁচে যাওয়া মানুষদের অনুভূতিতে আঘাত লাগবে৷ প্রকাশক ও পুস্তক ব্যবসায়ীদের উচিত হবে বইটির প্রকাশনা রোধ করতে সচেষ্টা হওয়া৷ নাৎসি বর্বরতার শিকার ইহুদিদের ব্যাপারে জার্মানির বিশেষ দায়বদ্ধতা রয়েছে৷ আর তাই ইহুদি বিদ্বেষমূলক বইটি যাতে বৈধভাবে বাজারে না আসতে পারে সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে হবে দেশটিকে৷ সেই সাথে অন্যান্য দেশের পুস্তক ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে৷ সর্বোপরি ‘মাইন কাম্ফ'-এর বিক্রি স্বেচ্ছায় বর্জন করতে হবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়