1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

হিগস-বোসন কণা এনে দিল পদার্থবিদ্যার নোবেল

পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেলেন হিগস-বোসন কণা তত্ত্বের প্রবক্তা ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পিটার হিগস এবং বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রঁসোয়া অঁগল্যার৷ ২০১২-তে এঁরাই এই কণার অস্তিত্ব খুঁজে পান৷

দীর্ঘ অর্ধ শতাব্দীর চেষ্টার পর অবশেষে গত বছর হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব খুঁজে পান এই দুই বিজ্ঞানী৷ এরপর জেনেভায় ‘লার্জ হেডরন কোলাইডার'-এ বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত কণা ভেঙে বিভক্ত করতে সমর্থ হন তাঁরা এবং সেসময়ই এই কণার জন্ম হয়৷ পদার্থবিদ্যায় এই আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত৷

রয়াল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স তাদের বিবৃতিতে বলেছে, পুরস্কৃত তত্ত্বটি পার্টিক্যাল সায়েন্সে একটি আদর্শ মডেল উপস্থাপন করেছে, যার মাধ্যমে বোঝা যায় বিশ্ব কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে৷ আদর্শ এই মডেল অনুযায়ী, ফুল থেকে মানুষ পর্যন্ত, নক্ষত্র থেকে গ্রহ পর্যন্ত – সব কিছুই আণবিক পদার্থ দিয়ে তৈরি৷

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হিগস-বোসন পদার্থবিদ্যার শেষ আদর্শ মডেল, যেখানে বিশ্বের মৌলিক মেক-আপ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে৷ মহাজাগতিক রশ্মি থেকে ‘বিগ ব্যাং' সৃষ্টির কারণে কেউ কেউ একে ঈশ্বরকণা বলেও সম্বোধন করে থাকেন৷

হিগস-বোসন কণা নিয়ে ১৯৬৪ সালে ছয়জন বিজ্ঞানী প্রথম তাঁদের গবেষণাকাজ প্রকাশ করেন৷ ‘লার্জ হেডরন কোলাইডার' বা এলএইচসি-তে হিগস কণার অস্বিত্ব খুঁজতে কাজ করেন হাজারো মানুষ৷ কিন্তু নোবেল পুরস্কারটি তিনজনের বেশি মানুষের মধ্যে দেয়ার নিয়ম না থাকায় ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পিটার হিগস এবং বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রঁসোয়া অঁগল্যার পেলেন এটি৷

৮০ বছর বয়সি অঁগল্যার এবং তাঁর সহকর্মী রবার্ট ব্রট, যিনি ২০১১ সালে মারা যান, এঁরা দু'জনে এ কণার বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসার আগেই ৮৪ বছর বয়সি হিগস এই কণিকার অস্তিত্ব খুঁজে পান৷ সে যাই হোক, এবার সম্মানা বাবদ একটি মেডেল, ডিপ্লোমা এবং ৮০ লাখ সুইডিশ ক্রাউন পাবেন এই দুই পদার্থবিদ৷

অনেকেই মনে করেন, হিগস-বোসন কণার বোসন শব্দটি বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্র নাথ বসুর নামে হয়েছে৷ সার্নের গবেষণা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সুবীর সরকার ডয়চে ভেলেকে জানান, পার্টিক্যাল সায়েন্সে সত্যেন বসুর অবদান অনস্বীকার্য৷ এছাড়া, পরমাণুর চেয়ে ক্ষুদ্র ‘বোসন' জাতের কণা সত্যেন বসুর সংখ্যাতত্ত্ব মেনে চলে৷ কিন্তু এই কণা আবিষ্কারে সত্যেন বসুর কোনো অবদান নেই৷

এপিবি/ডিজি (এপি/রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন