1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘হাসিনা-খালেদা বৃত্ত ভাঙতে ইউনূস ছিলেন মার্কিন অস্ত্র'

উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষমতাকেন্দ্র সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন ফুটে উঠেছে৷ দেশের দুই শীর্ষ নেত্রীর ভূমিকার আরো সমালোচনা শোনা যাচ্ছে৷

default

ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘সম্ভাব্য প্রতিহিংসামূলক আচরণের’ আশঙ্কা করেছিলেন

শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া সম্পর্কে মার্কিন প্রশাসনের মনোভাব

পেঁয়াজের খোসার মত উইকিলিকসের ফাঁস করা মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তায় বাংলাদেশ সংক্রান্ত একের পর এক খবর বেরিয়ে আসছে৷ যেমন আজ দৈনিক কালের কণ্ঠে শিরোনাম ‘হাসিনা-খালেদা বৃত্ত ভাঙতে ইউনূস ছিলেন মার্কিন অস্ত্র'৷ ভারতের দৈনিক ‘দ্য হিন্দু'কে উদ্ধৃত করে কালের কণ্ঠ আরও জানিয়েছে, ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজনৈতিক দল গঠন করেন ড. ইউনূস৷ এর পরপর কলকাতায় যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল হেনরি জারডাইন ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে আলোচনা হয়৷ ড. ইউনূস তাঁর রাজনীতিতে আসার সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার দিকে ইঙ্গিত করে জারডাইনকে তখন বলেন, বাংলাদেশের দুই ‘মহিলা'র (‘টু লেডিজ') সম্ভাব্য প্রতিহিংসামূলক আচরণের বিষয়টি তাঁরও মাথায় আছে৷ আলোচনা চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল জারডাইন বলেন, আওয়ামী লীগ সমাজতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে কথা বললেও দলটি মৌলবাদী গোষ্ঠী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে ফতোয়ার বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি করেছে৷

Bildcombo Sheikh Hasina und Khaleda Zia

‘দুই নেত্রীর মনোভাবে পরিবর্তন না এলে আইন করে সামরিক শাসন ঠেকানো যাবে না’

‘রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে সামরিক শাসনের আশঙ্কা'

দৈনিক প্রথম আলো দেশের দুই শীর্ষ নেত্রীর ভূমিকা সম্পর্কে শুক্রবারের গোলটেবিল আলোচনার উল্লেখ করেছে৷ তাতে বলা হয়েছে, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে এবং দুই নেত্রীর মনোভাবে পরিবর্তন না এলে আইন করে সামরিক শাসন ঠেকানো যাবে না৷ বিশিষ্ট আইনজীবী রফিক-উল হক গতকাল শুক্রবার এ কথা বলেছেন৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে রফিক-উল হক বলেন, ‘দুই নেত্রী যা বলেন, তার সমর্থনে তাঁদের সাগরেদরা হাত তোলেন৷ আজ পর্যন্ত তাঁদের পয়েন্টের এগেনস্টে কাউকে কিছু বলতে দেখা যায়নি৷ এভাবে কখনো গণতন্ত্র স্থিতিশীল হয় না৷ বরং সুষ্ঠু রাজনীতির জন্য দুই নেত্রীকে তাঁদের মাইন্ড সেট চেঞ্জ করতে হবে৷ তা না করে যতই আইন করুক, তাতে মার্শাল ল ঠেকানো যাবে না৷ তাঁদের নেতিবাচক রাজনীতি ইতিবাচক হলে এমনিতেই আর মার্শাল ল আসবে না৷'

জাতীয় গ্রিডে আরও ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

দৈনিক সমকাল চলমান এক সমস্যা সম্পর্কে আশার আলো শুনিয়েছে৷ সমকাল লিখেছে, বিদ্যুৎ খাতে আশার আলো উঁকি দিচ্ছে৷ গরমের তীব্রতা বেড়েছে৷ বেড়েছে লোডশেডিং৷ তবে তা গত বছরের মতো অসহনীয় পর্যায়ে যায়নি৷ কারণ এরই মধ্যে নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট৷ আগামী জুন-জুলাইয়ের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে৷ আর চলতি বছরের শেষ দিকে অর্থাৎ ডিসেম্বরে নতুন আরও ১ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন বাড়বে৷ ফলে বলা যায়, লোডশেডিংয়ের উৎপাত কমে যাবে অনেকটাই৷ সরকার আগেই ঘোষণা দিয়েছে, ২০১৩ সালে লোডশেডিংমুক্ত হবে বাংলাদেশ৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়