1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ক্রিকেট

হারেও হতাশার কিছু দেখছেন না মুশফিক

যে কোনো খেলাতে দল যতই সংকল্পবদ্ধ থাকুক না কেন ছোটখাটো টেকনিক্যাল ক্রুটি দূর করতে না পারলে কখনোই সাফল্য আসে না৷ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট হারের পর এ বিষয়টির ওপরেই জোর দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম৷

Bangladesch Cricket | Bangladesch vs. Australien (Getty Images/R. Cianflone)

ফাইল ফটো

অধিনায়ক মুশফিক এরইমধ্যে খেলোয়াড়দের টেকনিক্যাল ত্রুটি দূর করতে না পারলে একই পরিস্থিতিতে বারবার পড়তে হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন৷

বলেছেন, ‘‘অনেকেই ভাবেন আমরা হয়ত টেকনিক্যালি খুব সাউন্ড....হয়ত টেকনিক্যালি আমরা খুব ভালো৷ কিন্তু এখনও অনেক জায়গা আছে উন্নতি করার৷ এই যেমন, উইকেটে কীভাবে থাকতে হবে, কীভাবে রান করতে হবে – এসব শেখার সুযোগ আমরা তো খুব বেশি পাই না৷ আমরা গত কিছু দিনে দুই বা তিনটে টেস্টে এই সুযোগ পেয়েছি৷ কিন্তু সুযোগগুলো ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারিনি৷ সুযোগগুলো যদি কাজে লাগাতে না পারি, তাহলে কিন্তু শিখতেও পারব না৷''

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্ট ৭ উইকেটে হেরে সিরিজ ১-১-এ ড্র করেছে বাংলাদেশ৷ প্রথম টেস্ট জয়ের পর উচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়েছিল পুরো দেশ৷ তারপর দ্বিতীয় টেস্ট হেরে সিরিজ জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হলেও তাতে হতাশ হওয়ার কিছু দেখছেন না মুশফিকুর রহিম৷ তাঁ মতে, ‘‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ড্র-ও অবশ্য বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন৷ সাত উইকেটের হার, তারপরও সিরিজ ড্র-কে অর্জন বলায় অনেকে আপত্তি তুলতে পারেন৷ তবে তাঁদের আগে বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ ঠিক কোথায় আছে, সেটা ঠিকমতো বুঝে নিতে হবে৷''

বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান আরো বলেন, ‘‘একটা ম্যাচ ভালো করলে এত উপরে উঠে যাই৷ আবার একটা খারাপ করলে এত নীচে নেমে যাই৷ বাংলাদেশ দলকে এভাবে দেখা ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনোই সমর্থন করি না৷'' তাঁর কথায়, ‘‘আমার মনে হয়, আমরা প্রথম টেস্টে খুব অসাধারণ কাজ করেছি৷ এখন অন্তত চোখে চোখ রেখে ওদের চ্যালেঞ্জ করার সামর্থ্য হয়েছে৷ এটা বড় একটা প্রাপ্তি৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

অস্ট্রেলিয়ার কাছে শেখার আছে অনেক কিছু৷ বিরুদ্ধ কন্ডিশনে নিজের ইনিংস কীভাবে গড়তে হয় তার এক বড় উদাহরণ এখন ডেভিড ওয়ার্নার৷ মুশফিক মনে করেন, সিরিজের দুই টেস্টেই সেঞুরি করা অস্ট্রেলিয়ার উদ্বোধনী এই ব্যাটসম্যানের কাছে অনেক কিছু শেখার আছে৷

তিনি বলেন, ‘‘ওয়ার্নারকে দেখেন, ও কত আক্রমণাত্মক একজন ব্যাটসম্যান৷ কিন্তু এখানে কত কষ্ট করে রান করেছে, এটা সম্ভবত ওর সবচেয়ে মন্থর সেঞ্চুরি৷ আমার মনে হয়, আমরা এখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি৷ এই উইকেটে ও কীভাবে রান করেছে৷ ও চাইলে আরও আক্রমণাত্মক খেলতে পারতো৷ তখন অনেক সুযোগ আসতে পারতো ওকে আউট করার৷''

চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ৩৭৭ রানের জবাবে যখন বাংলাদেশ ব্যাট করছিল, তখন এক পর্যায়ে ইনিংস পরাজয়ও হাতছানি দিচ্ছিল৷  কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা না হলেও অস্ট্রেলিয়ার সামনে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ দিতে পারেনি বাংলাদেশ৷

তবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস ১৫৭ রানে গুঁড়িয়ে দেবার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার নাথান লায়ন৷ দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ছয়টি উইকেট নিয়েছেন তিনি৷ প্রথম ইনিংসেও লায়নের সংগ্রহ ছিল সাতটি উইকেট৷

এএম/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়