1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

হামবুর্গ বিমানবন্দরে নতুন বডি স্ক্যানার

ইউরোপের বিভিন্ন বিমানবন্দরে বডি স্ক্যানার বসানোর প্রসঙ্গ উঠেছিল অনেক দিন আগেই৷ আজ থেকে জার্মানির হামবুর্গ বিমানবন্দরে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হল এই নতুন বডি স্ক্যানার৷ জার্মানিতে এই প্রথম৷

default

নতুন বডি স্ক্যানারে প্রথম দিনে নিজেই প্রবেশ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোমাস দেমেজিয়ের নিজেই নিজের বডি স্ক্যানিং করে সবাইকে উৎসাহিত করলেন৷ দেমেজিয়ের বললেন, ‘‘ আমি বিশ্বাস করি যে, এই বডি স্ক্যানার প্রতিটি মানুষকে নিরাপদে চলাফেরায় সাহায্য করবে৷ একই সঙ্গে যে সব জায়গায় এই স্ক্যানার বসানো হচ্ছে সেই জায়গাগুলো বিপন্মুক্ত থাকবে৷ এই বডি স্ক্যানার নিঃসন্দেহে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দিয়েছে৷''

হামবুর্গ বিমানবন্দরে আজ থেকেই প্রথমবারের মত পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হল এই নতুন বডি স্ক্যানার৷ কীভাবে কাজ করে এই বডি স্ক্যানার ? একটি গ্লাসের সিলিন্ডারের মধ্যে আপনাকে ঢুকে পড়তে হবে৷ না, হামাগুড়ি দিয়ে নয় সোজা হেঁটেই ঢোকা যাবে৷ তিন সেকেন্ড হাত উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে৷ ব্যাস! মেশিন আপনার শরীর স্ক্যান করা শুরু করবে৷ কাপড় খোলার প্রয়োজন নেই৷

Nacktscanner / Körperscanner / Flughafen / Amsterdam

ঠিক এভাবেই গ্লাস সিলিন্ডারের মধ্যে দাঁড়াতে হবে

সঙ্গে যদি কোন ধাতু বা তরল পদার্থ থাকে তাহলে বডি স্ক্যানারে তা ধরা পড়বে৷ জার্মান পুলিশ লুবেক শহরে প্রায় এক বছর ধরে এই বডি স্ক্যানিং মেশিন পরীক্ষা করেছে৷ অস্ট্রিয়াও এখন এই মেশিনগুলো পরীক্ষা করে দেখছে৷

তবে হামবুর্গ বিমানবন্দরে এই মেশিনে শরীর স্ক্যানিং করা এখনো বাধ্যতামূলক নয়৷

Flughafen Fuhlsbüttel

বিমান বন্দর বিপদমুক্ত রাখাই মূল উদ্দেশ্য

স্বেচ্ছায় যে কেউ চাইলে স্ক্যানিং মেশিনে প্রবেশ করতে পারে৷ নতুন এই মেশিনে এক্স-রের মত শরীর চোখে পড়বে না৷ কোন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দেখা যাবে না৷ দেখা যাবে শুধু শরীরের অবয়ব৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য,‘‘ আমাদের জন্য এই স্ক্যানার বসানো খুবই জরুরি ছিল৷ তবে এই স্ক্যানারে কারো নগ্ন শরীর দেখা যাবে না৷ কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চোখে পড়বে না৷ নতুন এই বডি স্ক্যানারে শুধু শরীরের একটি অবয়ব আসবে৷''

নতুন এই বডি স্ক্যানারের দাম মাত্র দেড় লক্ষ ইউরো৷ এই বডি স্ক্যানার বসানোর মূল লক্ষ্য হল বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য নিরাপত্তা বাড়ানো৷ বিমানবন্দর এলাকা বিপদমুক্ত রাখা৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়