হাতে তৈরি লজেন্সের চাহিদা অনেক | অন্বেষণ | DW | 15.02.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

হাতে তৈরি লজেন্সের চাহিদা অনেক

জার্মানিতে এগুলোকে বলে বনবন, আরা আমাদের দেশে লজেন্স৷ ছোটবেলায় মানে আমাদের বয়সে আর কি আটা আনা পয়সাতেই পাওয়া যেত এমন লজেন্স৷ কোলনের এক ক্যান্ডি ফ্যাক্টিরিতে হাতে বানানো হয় নানা রকমের চকলেট৷

জার্মানির কোলোন শহরের কেন্দ্রস্থলে যেটি সহজে চোখে পড়ে না তেমন একটি ছোট রাস্তায় রয়েছে একটি ক্যান্ডি ফ্যাক্টরি৷ সুবিধাজনক স্থানে না হলেও পথচারীদের নজর কাড়ে এটি৷

হাতে তৈরি ক্যান্ডির ব্যবসা ক্রমশই বাড়ছে৷ চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহে তাই সবসময় সচেতন ফ্লোরিয়ান বেলগার্ড৷ কোলোনের এই বাসিন্দা ক্যান্ডি তৈরিতে সনাতন পদ্ধতি অনুসরণ করেন৷ শুরুতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দ্রব্য একটি পাত্রে গরম করা হয়৷ এরপর বিভিন্ন ধাপের পর সেগুলো পরিণত হয় ছোট ছোট ক্যান্ডিতে৷

এই প্রক্রিয়া বেশ লম্বা৷ বিশেষ করে ধৈর্য ও শক্তি প্রয়োজন৷ আর মানের দিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন বেলগার্ড৷ এই ক্যান্ডি প্রস্তুতকারক বলেন, ‘‘চকোলেট তৈরির পর অন্তত একটি খেয়ে দেখা হয়৷ প্রস্তুতের পর খদ্দেরের কাছে পৌঁছানোর আগে স্বাদ পরখ করাটা জরুরি৷ এখন আমার মনে হয় আমি বেশ মিষ্টি হয়ে গেছি, সেজন্য সুযোগ পেলেই বনবন খাই৷''

বনবন নামের এই বিশেষ ক্যান্ডি তৈরির কাজে বেশ দ্রুত করতে হয়৷ গলানো চিনি বেশিক্ষণ ফেলে রাখা যায় না৷ গরম থাকতে থাকতেই সেটিকে নির্দিষ্ট আকার দিতে হয়৷ ফ্লোরিয়ান বেলগার্ড অনেক মনোযোগ আর ভালোবাসা দিয়ে বিভিন্ন ডিজাইন করেন৷ এটা তাঁর কাছে শিল্পকর্মের মতো৷

বনবন প্রস্তুতের চূড়ান্ত ধাপে মাখামাখি করতে হয়৷ এক ঘণ্টা ধরে বিভিন্নভাবে নাড়াচাড়ার পর প্রস্তুত হয় বনবন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক