1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

হাজিদের পরিবারের আকুতি, ‘সন্ধান চাই, জীবিত বা মৃত'

এখনো আসছে দুঃসংবাদ৷ কোনো কোনো পরিবারে হজ করতে গিয়ে প্রাণ হারানো স্বজনের জন্য চলছে মাতম, অনেক পরিবার আবার উৎকণ্ঠা নিয়ে করছে স্বজনকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষা৷ আর কত শোক সংবাদ? আর কত অপেক্ষা?

এই প্রশ্নগুলোই বারবার উঁকি দিচ্ছে সবার মনে৷ ২৪শে সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের মিনায় মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনা ঘটে৷ সেদিন থেকেই হজ করতে যাওয়া বাংলাদেশিদের পরিবারগুলোতে শুরু হয়েছিল দুশ্চিন্তা, উৎকণ্ঠা৷ যেসব পরিবার স্বজনকে ফিরে পেয়েছে তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরলেই অনেকেরই উৎকণ্ঠা এখনো শেষ হয়নি৷ অনেকে আবার ডুবেছে স্বজনকে চিরতরে হারানোর শোকে৷ এ পর্যন্ত ৯২ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে৷ নিখোঁজ রয়েছেন ৮০ জন৷

নিখোঁজদের জন্য এখন ব্যাকুলভাবে অপেক্ষা করছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা৷ স্বজনকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে কেউ কেউ বলছেন, ‘‘সন্ধান চাই, জীবিত অথবা মৃত৷''

মিনা থেকে কোনো খবর আসছে না বলে অনেকেই খুব হতাশ এবং দুশ্চিন্তাগ্রস্ত৷

যাঁরা জীবিত ফিরে এসেছেন, তাঁদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সেদিনের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কথা৷ বিপর্যয়ের জন্য মূলত সৌদি আরব সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়িক মনোভাবকেই দায়ী করেছেন অনেকে৷ গাইবান্ধার এক হাজি বলেছেন, ‘‘ওই দিন সৌদি বাদশাহর এক ছেলে আর্মি নিয়ে এলো পাথর মারার জন্য৷ তখন সব হাজিকে আটকে দেওয়া হয়৷ লাখ লাখ হাজি তখন দলে দলে অপেক্ষা করতে শুরু করেন৷ বাদশার ছেলে যাওয়ার পর রাস্তা খুলে দিলে হাজিদের ঢল নামে৷ আর তাতেই ঘটে দুর্ঘটনা৷ বাদশার ছেলে ওই দিন না গেলে এ ঘটনা ঘটতো না৷''

তবে কেউ কেউ বলেছেন জন্ম-মৃত্যু আল্লাহর হাতে, তাই সৌদি আরবকে দোষারোপ করা ঠিক নয়৷

সংকলন: আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন