1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

হলিউড, বলিউড থেকে এবার টলিউড

কোলকাতার বাংলা ছবি তাদের জায়গা করে নিচ্ছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে৷ সেই কবে সবার দৃষ্টি কেড়েছিল পথের পাঁচালি আর অশনি সঙ্কেত’এর মত ছবি–এরপর অনেকদিন কোন ভাল ছবি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি৷

default

সবার দৃষ্টি কেড়েছিল পথের পাঁচালি’র মতো সত্যজিৎ রায়ের বেশ কিছু ছবি

তবে সময় পাল্টেছে৷ পল্টেছে রুচি৷ কোলকাতার বেশ কিছু ছবি পুরস্কার জিততে প্রতিযোগিতায় যাচ্ছে চীন, ইটালি, আবুধাবি, ব্রিটেন এবং অ্যামেরিকায়৷ আর সবচেয়ে বড় কথা হল সবগুলো ছবিই বাংলা ভাষায় তৈরি৷

কিছু ছবির নাম করা যাক৷ ‘মেমোরিজ ইন মার্চ', ‘অটোগ্রাফ' এবং ‘ইতি মৃণালিনী' – ছবিগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুঞ্জন নয় রীতিমত হৈ চৈ ফেলে দিয়েছে৷ আর এসবই সম্ভব হয়েছে প্রডাকশন হাউজ শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস'এর কল্যাণে৷

‘অটোগ্রাফ' ছবিটি শ্রীজিত মুখার্জির তৈরি৷ ছবিটি গ্লাসগো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ছাড়িয়ে, মিআক ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল নিউ ইয়র্ক এবং দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল পর্যন্ত পৌঁছেছে৷ শ্রীজিত মুখার্জি জানিয়েছেন, বাংলা ছবি নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছে৷ তবে এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা এবং কঠিন পরিশ্রম রয়েছে৷

Indien Bollywood Schauspielerin Raima Sen

চোখের বালি‘র নায়িকা রাইমা সেন

বলা প্রয়োজন, শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস'এর আগের প্রযোজিত ছবি ‘চোখের বালি' এবং ‘রেইনকোট' লোকার্নো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং কার্লোভি ভ্যারি চলচ্চিত্র উৎসবে স্থান পেয়েছিল৷

পরিচালক সঞ্জয় নাগের জাতীয় পুরস্কার পাওয়া ছবি ‘মেমোরিজ ইন মার্চ' কোরিয়ার পুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জন্য নির্বাচিত হয়েছে৷ এছাড়া আগামী মাসে নিউ ইয়র্কের গোল্ড কোস্ট চলচ্চিত্র উৎসবেও ছবিটি দেখানো হবে৷ এই ছবিটি ২০১০ সালে নিউ ইয়র্কে মিয়াক চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যের পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে৷

‘ইতি মৃণালিনী' ছবিটি পাঁচটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য নির্বাচিত হয়েছে৷ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলা ছবি, বাংলা ভাষা৷

ভালো আরো কিছু ছবি বাংলা ছবির তালিকায় রয়েছে ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘চিত্রাঙ্গদা', সন্দীপ রায়ের ‘রয়েল বেঙ্গল রহস্য' এবং শ্রীজিত মুখার্জির ‘বাইশে শ্রাবণ'৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: অব্দুল্লাহ আল-ফারূক