1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভাইরাল ভিডিও

হরিণের লাফ!

হরিণরা যেমন দৌড়তে পারে, তেমনি লাফাতেও পারে, কেননা তারা হলো ‘ফ্লাইট অ্যানিমাল' বা পলাতক প্রাণী, পালানোটাই তাদের বাঁচার একমাত্র পথ৷ নমুনা দেখুন এই ভিডিওটিতে৷

রজার বি. ভিডিওটি আপলোড করেন ২০১১ সালের ২০ মার্চ৷ সেই থেকে প্রায় তিন লাখ ত্রিশ হাজার মানুষ ইউটিউবে ভিডিওটি দেখেছেন৷

জায়গাটা খুব সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ক্যানাডার কোনো ছোট শহর৷ কাঠের বেড়ার বাইরে ঢালু ছাদের বাড়িঘরগুলো দেখলে ইউরোপের কথাও মনে হতে পারে; আর বরফ তো ইউরোপেও পড়ে৷ জঙ্গল না হলেও, বনের ধারে বাড়ি৷ সেই বাড়ির ব্যাকইয়ার্ড বা পিছনের আঙিনা, কিন্তু ফুটবল খেলার মাঠের মতো বড় ও প্রায় সেই পরিমাণ ন্যাড়া৷ মাঝখানে একটা বাচ্চাদের খেলার জায়গা, সেখানে স্লিপও আছে৷ চতুর্দ্দিকে প্রায় ছয় ফুট উঁচু কাঠের বেড়া৷

ভিডিওটি যারা আপলোড করেছেন, তারা লিখছেন হরিণটা নাকি বেড়া ডিঙিয়ে আঙিনা, অর্থাৎ ব্যাকইয়ার্ডে ঢুকে পড়েছিল৷ তারপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা গেট খোলা রাখা সত্ত্বেও সে বেরোয়নি বা পালায়নি৷ শেষে সেই হরিণ সুইমিং পুলের বড় বেশি কাছে চলে আসছে দেখে বাড়ির মালিক ও ভিডিওধারী হরিণটাকে গেটের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন৷ তার পরিবর্তে হরিণটি বেড়ার উপর দিয়ে আর একটি লাফ দিয়ে উধাও হয়৷

কোণার কমপোস্ট হিপের ওপরে হুইলব্যারো উল্টো করে ফেলে রাখা আছে৷ সেখান থেকে দৌড় দিয়ে আঙিনার অন্য প্রান্তে পৌঁছে হরিণটা শেষমেশ সেই লাফটা দিয়েছে - যা বন শহরের কাছে কটেনফর্স্টের জঙ্গলের হরিণরাও হামেশাই দিয়ে থাকে, যদি পথে কোনো তারের বেড়া পড়ে! যাকে বলে কিনা এক লাফে পগাড় পার - বেড়ার ওপরে ঝাঁকি দিয়ে দেখা গেল, হরিণটা দৃশ্যত অক্ষত এবং অর্ধেক রাস্তা পার হয়ে গেছে৷

মুশকিল এই যে, হরিণটা যে আতঙ্কিত, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে৷ এখানে পশু আর মানুষের মধ্যে কোনো আস্থার সম্পর্কে নেই বা গড়ে ওঠেনি৷ বেড়ার ওপর দিয়ে যে লাফটা সে দিল, সেটাও আতঙ্কিত হয়ে লাফ৷ পরিষ্কার বোঝা গেল যে, তার সামনের পা দুটো বেড়ার ওপরদিকটায় ঘষা খেয়েছে, হয়তো পেটের কিছু অংশও - অর্থাৎ হরিণটি ব্যথা পেয়েছে, যদিও টুঁ শব্দও করেনি৷ বলা যেতে পারে, মানুষ আর বন্য পশুর মধ্যে ব্যবধানটাই এখানে স্পষ্ট হয়েছে, তাদের নিকটত্ব বা আত্মীয়তা নয়৷ সেটাই হয়তো এই ভাইরাল ভিডিওর বক্তব্য৷

এসি/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন