1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘হরতাল নয়, সন্ত্রাস নিষিদ্ধ করা হোক’

ডয়চে ভেলের ব্লগওয়াচে ‘আইন করে হরতাল নিষিদ্ধ করা হোক’ – এই লেখাটি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে৷ ফেসবুকে অনেকেই নানা মন্তব্য করেছেন৷

বাংলাদেশে এখনো চলছে বিরোধী দলের অবরোধ কর্মসূচি৷ বরাবরের মতো এই কর্মসূচি পালনের সময়েও গাড়ি-বাড়ি পোড়ানো এবং হতাহতের ঘটনা ঘটেছে৷ তাই হরতাল নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে ফেসবুকে সোহেল রানা লিখেছেন গাড়ি পোড়ানো, মানুষ হত্যা ও সম্পদ ধ্বংস করা, এগুলো আইনবিরোধী কাজ৷ এগুলো কি বন্ধ আছে? সুতরাং আইন করে এগুলো ঠেকানো যাবে না৷

রফিকুল ইসলাম লিখেছেন, হরতাল নয় হরতালের নামে জ্বালাও পোড়াও, নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী তাণ্ডব বন্ধ করা দরকার৷ এর জন্য আইন করা দরকার৷ যে বা যারাই হরতাল ডাকবে তাদের হরতাল কর্মসূচির আওতায় পড়ে যদি কোনো সাধারণ নাগরিকের জানমালের ক্ষতি হয় তার দায়ভার হরতাল আহ্বানকারীদের নিতে হবে এবং বিচারের সম্মুখীন হতে হবে৷

তিনি আরো লিখেছেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের হরতাল ডাকার যেমন গণতান্ত্রিক অধিকার আছে, ঠিক তেমনি সাধারণ জনগণের হরতাল না মানারও গণতান্ত্রিক অধিকার আছে৷ কিন্তু আমাদের দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল যখনই হরতাল ডাকেন তখনই তাঁরা রাজপথে সাধারণ নাগরিকের জানমালের উপর হামলে পড়ে ত্রাস সৃষ্টি করেন৷ এটি দুঃখজনক ও অগণতান্ত্রিক৷

সুখময় মাঝি লিখেছেন, হরতালের বিরুদ্ধে প্রবল জনমত তৈরি না হলে হরতাল নিষিদ্ধ করা অসম্ভব৷

জসীম উদ্দীন রাজু লিখেছেন, হরতাল নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে একমত নন তিনি৷ তাঁর মতে, বিরোধী দলের ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সংকুচিত হলে নয়, বরং ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার পায়তারা করলে তা রুখতে হরতাল দেয়া হয়৷

শামসুল হক লিখেছেন, এ ছাড়া তাদের আর কোনো পথ থাকে না৷ এটাই পূর্বে আমরা দেখেছি, ক্ষমতায় থাকতে সবাই বলে হরতাল ঠিক না৷ কিন্তু বিরোধী দলে গিয়ে ঠিকই হরতাল করেন৷ আমরা আবার তাদেরই নির্বাচিত করি, বিকল্প কিছু পাই না বলে৷

সংকলন: অমৃতা পারভেজ

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন