হবে না, হবে, হয়ত হবে... | বিশ্ব | DW | 28.05.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়া

হবে না, হবে, হয়ত হবে...

সিঙ্গাপুরে ঐতিহাসিক ট্রাম্প-কিম শীর্ষ সম্মেলন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বার বার অবস্থান বদল করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন৷ আপাতত সম্মেলনের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে৷ ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার ‘উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’ দেখছেন৷

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো পুরোপুরি কাটছে না৷ ১২ই জুন সিঙ্গাপুরে দুই নেতার ঐতিহাসিক সাক্ষাতের পরিকল্পনা বৃহস্পতিবার বাতিল করে দিয়েছিলেন ট্রাম্প৷ তারপর শনিবার আবার মত বদলে আপাতত রাজি হয়েছেন৷

মার্কিন কর্মকর্তারা এই সম্ভাব্য শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতি হিসেবে রবিবার দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সীমান্ত পেরিয়ে উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশ করে আলোচনা চালিয়েছেন৷ ফিলিপাইন্সে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও কোরিয়া বিশেষজ্ঞ সুং কিম এই দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন৷ উত্তর কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো সন হুই সে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন৷ ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার সূত্র অনুযায়ী, সোমবার ও মঙ্গলবারও আলোচনা চলবে৷ শীর্ষ সম্মেলনের ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি করতে আরও এক দল মার্কিন কর্মকর্তা সিঙ্গাপুরে গেছে৷ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত সুরে দেশ হিসেবে উত্তর কোরিয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনার উল্লেখ করেছেন৷ তাঁর মতে, সে দেশের অর্থনৈতিক ও আর্থিক পরিস্থিতির বিপুল উন্নতি হতে পারে৷ এ বিষয়ে কিম ও তিনি একমত৷

এর মধ্যে শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন আচমকা উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে সীমান্তে সাক্ষাৎ করেন৷ সেই আলোচনায়ও কিম ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহ প্রকাশ করেন৷ এপ্রিল মাসে তাঁদের প্রথম আলোচনায় কিম কোরীয় উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের যে অঙ্গীকার করেছিলেন, শনিবারও সেই অবস্থানে অটল ছিলেন তিনি৷ প্রেসিডেন্ট মুন বলেন, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের প্রশ্নে ওয়াশিংটন ও পিয়ং ইয়ং-এর প্রত্যাশা থাকতে পারে৷ তিনি দুই পক্ষের উদ্দেশ্যে আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করার আহ্বান জানান৷ তাঁর ধারণা, কিম এখনো অ্যামেরিকার নিরাপত্তা গ্যারান্টির উপর আস্থা রাখতে পারছেন না৷ দক্ষিণ কোরিয়ার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিরাপত্তার প্রশ্নে উত্তর কোরিয়ার দুশ্চিন্তা দূর করতে দুই কোরিয়া পরস্পরের উপর হামলা এড়াতে এক আনুষ্ঠানিক অঙ্গীকার সম্পর্কে আলোচনা করছে৷

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণ অকেজো করে দিতে চায়৷ অন্যদিকে পিয়ং ইয়ং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে মার্কিন পরমাণু অস্ত্র সরানোর বদলে নিজস্ব পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার ত্যাগ করার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করতে প্রস্তুত৷

উত্তর কোরিয়ার উপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্প এমন নরম-গরম নীতি প্রয়োগ করে চলেছেন কিনা, তা স্পষ্ট নয়৷ তবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স উত্তর কোরিয়াকে ‘লিবিয়া মডেল’-এর যে হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প তার ফলে যে বিরক্ত, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে৷ হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারা হাকাবি সান্ডার্স বলেন, ‘‘এটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মডেল৷ তিনি যেভাবে চাইছেন, সেভাবেই এই মডেল পরিচালিত হবে৷’’

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়