1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

হংকং নিয়ে চীনের ধৈর্যের পরীক্ষা

আরও গণতন্ত্রের দাবিতে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে মুখর হয়ে উঠেছে হংকং৷ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের প্রতি সংহতি দেখাচ্ছে মানুষ৷ চীন অবশ্য কোনো রকম বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না বলে জানিয়েছে ইতিমধ্যেই৷

তাইওয়ানের রাজধানী তাইপে থেকে শুরু করে লন্ডন, নিউ ইয়র্কের মতো শহরে হংকং-এর বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন দেখিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ মোট ২৩টি শহর থেকে এমন বিক্ষোভ সমাবেশের খবর পাওয়া গেছে৷ হংকং-এর মতো সেখানেও মানুষের হাতে ছাতা ও স্মার্টফোনের উজ্জ্বল পর্দা৷ লন্ডনে চীনা দূতাবাসের সামনে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখা গেছে৷ তাদের দাবি, চীনের সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনকে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করতে হবে৷ হংকং-এর সাবেক শাসক হিসেবে ব্রিটিশদের এ ক্ষেত্রে নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন৷

বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে হংকং-এর মানুষ এমন অনেক স্বাধীনতা ভোগ করেন, যা গণপ্রজাতন্ত্রী চীনে অভাবনীয়৷ কিন্তু বেইজিং এর বেশি ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়৷ কারণ সে ক্ষেত্রে এই দৃষ্টান্ত কমিউনিস্ট শাসনের ভিত্তি নাড়িয়ে দিতে পারে৷ হংকং-এর মতো বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল ম্যাকাউ৷ সেখানেও প্রতিবাদ শুরু হয়ে গেছে৷

Bildergalerie Proteste in Hongkong 02.10.2014

গণতন্ত্রের দাবিতে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে মুখর হয়ে উঠেছে হংকং

তিব্বতি বা উইগুর-দের মতো সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীও বাড়তি অধিকার দাবি করতে পারে৷ নির্বাসিত উইগুর নেত্রী রেবিয়া কাদের বলেছেন, হংকং-এর আন্দোলন থেকে উইগুর-রা প্রেরণা পেতে পারে৷ খোদ বেইজিং-এ তিয়ানানমেন স্কোয়্যারের ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতিও চীনা শাসকদের মন থেকে দূর হয়নি৷ অতএব হংকং-এর আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন তাদের মোটেই পছন্দ নয়৷ চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিষয়ে তাই সতর্ক করে দিয়েছে সরকার৷ হংকং-এর প্রশাসন বর্তমান এই সংকট সামলে নেবে – প্রকাশ্যে অন্তত এ রকমই অবস্থান নিচ্ছে বেইজিং৷

হংকং প্রশাসন ধৈর্যের পরীক্ষায় বিক্ষোভকারীদের থেকে এগিয়ে থাকতে চায়৷ অর্থাৎ দমন নীতির বদলে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে তাদের প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে দেয়া হবে – এমনটাই ইঙ্গিত করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা৷ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স-কে তিনি এ কথা বলেছেন৷ শুধু হিংসা বা অন্য ধরনের অরাজকতা সৃষ্টি হলেই পুলিশ হস্তক্ষেপ করবে৷ গত সপ্তাহান্তের পর বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় উৎসাহ পাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন৷

চীনা ও হংকং প্রশাসন আসলে এক উভয় সংকটে রয়েছে৷ হংকং পুঁজিবাজার ও আর্থিক কেন্দ্র৷ সেখানে দমন নীতি চালালে অর্থনীতির উপর তার প্রভাব পড়তে বাধ্য৷ হংকং-এ পর্যটনের ক্ষেত্রে এমন ধাক্কা এখনই টের পাওয়া যাচ্ছে৷ আবার কড়া প্রতিক্রিয়া না দেখালেও বিরোধীরা উৎসাহ পাবে৷

এসবি/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন