1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

স্মার্টফোন, টিভি ভুটানের জন্য কাল!

বিষয়টা সত্য ভুটানের মঠ ব্যবস্থা তথা বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের জন্য৷ একটা সময় ছিল যখন তাঁরা সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন৷ কিন্তু টেলিভিশন, স্মার্টফোন সহ আধুনিক সব প্রযুক্তির আবির্ভাবে দিন দিন তাঁদের প্রভাব কমে যাচ্ছে৷

এইতো কিছুদিন আগে, ১৯৯৯ সালে ভুটানে টেলিভিশনের আবির্ভাব ঘটে৷ এরপর থেকে সেখানকার সমাজে বিশেষ পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ যেমন ভুটানের ইতিহাস বিষয়ক বইয়ের লেখক ও সাবেক বৌদ্ধ ভিক্ষু কর্ম ফুনৎসো বলছেন, ‘‘মানুষ এখন বিধাতাকে কম ভয় পায়, ধর্মীয় রীতি পালনের বিষয়টিও দিনদিন কমে যাচ্ছে৷'' অবশ্য তাঁর মতে পরিবর্তনের শুরু ষাটের দশকে, যখন থেকে স্কুলগুলোতে ধর্ম নিরপেক্ষ শিক্ষার চল আরম্ভ হয়েছে৷

ফুনৎসোর সঙ্গে একমত পোষণ করলেন কেঞ্চো শেরিং, যিনি রাজধানী থিম্পুতে অবস্থিত মঠ পরিচালিত একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ভিক্ষু৷ তিনি বলছেন, ‘‘ভুটানে পরিবর্তন ঘটছে৷ মঠ ব্যবস্থার প্রভাব দিনদিন কমে যাচ্ছে৷ এখন সমাজে ঊর্ধ্বতন ভিক্ষুরাও যথাযথ সম্মান পান না৷''

টিভি ছাড়াও হালের স্মার্টফোন আকৃষ্ট করছে ভুটানি তরুণদের৷ তারা স্মার্টফোন দিয়ে বিভিন্ন গেমস খেলার প্রতি উৎসাহী হয়ে উঠছে৷ এর ফলে এক সময় সরল মনের অধিকারী বলে পরিচিতি ভুটানিরা নিজের অজান্তেই মনের মধ্যে নানারকম সমস্যার জন্ম দিচ্ছে, বলে মনে করেন মনোবিজ্ঞানী নিরোলা৷

তবে প্রযুক্তি যে শুধু বৌদ্ধ সংস্কৃতির জন্য সমস্যাই বয়ে আনছে তা নয়৷ কেউ কেউ এই প্রযুক্তির ক্ষমতা নিজেদের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে৷ যেমন ‘ফাজোডিং মনাস্টারি' ফেসবুক আর টুইটার ব্যবহার করে তাদের খবর প্রচার করা ছাড়াও তহবিল সংগ্রহের কাজে নেমেছে৷

জেডএইচ / এসবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন