1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে ‘বুদ্ধিমান পোশাক'

সঠিক ব্যায়াম করতে সহায়তা, পাল্স ও হৃদযন্ত্রের স্পন্দনের পরিমাপ করতে পারে বিশেষ সেন্সর লাগানো পোশাক৷ এমন পোশাক বাজারে আসতে আর দেরি নেই৷

হৃদযন্ত্রের সমস্যা থাকলে রোগীকে সাবধান হতে হয়৷ কিন্তু সে কী করে বুঝবে, কখন তার উপর বেশি চাপ আসছে? রোগী কী করে বুঝবে, যে ফিজিওথেরাপিস্ট-এর নজরদারি ছাড়াই সে ঠিকমতো ব্যায়াম করছে কি না? যারা একা থাকে, তারা অজ্ঞান হয়ে গেলেই বা কী করে বাইরে থেকে সাহায্য পেতে পারে?

জার্মানির ফ্রাউনহোফার ইন্সটিটিউটের ক্রিস্টিয়ান হোফমান ঠিক এই সব প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন৷ তিনি ‘বুদ্ধিমান' পোশাক তৈরি করছেন, যার মধ্যে রয়েছে ইলেক্ট্রোড, পরিমাপ যন্ত্র, বিশেষ রেকর্ডার ইত্যাদি৷ তিনি বলেন, ‘‘ফিজিওথেরাপির মতো খালি হাতে ব্যায়ামের কথাই ধরা যাক৷ রোগী যখন নিজের বাসায় ব্যায়াম করেন, তখন সেটা ঠিকমতো হচ্ছে কি না তা বোঝার উপায় নেই৷ তখন ফিজিওথেরাপিস্টের কাছে ছুটতে হয়৷ তাঁর সামনে ব্যায়াম করলে তিনি বলে দিতে পারেন, সেটা ঠিকমতো হচ্ছে কি না৷ এই জ্যাকেট পরলে কিন্তু আর সমস্যা নেই৷ বাসায় ব্যায়াম করলেও ডিজিটাল পদ্ধতিতে থেরাপিস্ট নজর রাখতে পারবেন – প্রয়োজনে পরামর্শ দিতে পারবেন৷''

Intelligente Kleidung von Infineon

শরীরের কাছেই সেন্সর

হোফমান এই জ্যাকেটে মোট ১১টি সেন্সর বসিয়েছেন৷ পরীক্ষামূলক এই জ্যাকেট কিন্তু যে আর পাঁচটা স্পোর্টস জ্যাকেটেরই মতোই দেখতে৷ প্রায় পাঁচ বছর ধরে গবেষকরা ‘বুদ্ধিমান' পোশাক তৈরির কাজ করছেন৷ বিশেষ এই জ্যাকেট কীভাবে কাজ করে, এক সহকর্মী তা দেখান৷ পর্দায় যে ব্যায়াম দেখা যাচ্ছে, যতটা সম্ভব তা নকল করতে হবে৷ ব্লু-টুথ-এর মাধ্যমে জ্যাকেট থেকে তথ্য পাঠানো হয়৷ হোফমান মনে করেন, এর মধ্যে বিপুল সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে৷

হোফমান-এর তৈরি নতুন টি-শার্ট-এও সেন্সর বসানো হয়েছে৷ তবে সাধারণ পাল্স মাপার যন্ত্রের মতো শুধু হৃদযন্ত্রের স্পন্দন নয়, এতে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসও মাপা যায়৷ ফলে খেলোয়াড় ও ফিজিওথেরাপির রোগীদের শক্তি ও চাপ নেয়ার ক্ষমতা প্রায় নিখুঁতভাবে জানা যায়৷ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখা গেছে, এই জামা এখনই বড় আকারে উৎপাদন করা সম্ভব৷ তিনি বলেন, ‘‘প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই ব্যবস্থা কাজ করছে৷ এবার চাই শুধু এক নির্মাতা, যে এই পণ্য বাজারে আনবে৷''

বাজারে আসা পর্যন্ত হোফমান ও তাঁর সহকর্মীরা আরও এমন ‘বুদ্ধিমান' পোশাক তৈরির কাজে ব্যস্ত৷ যেমন সেন্সর লাগানো গালিচা বা দমকল কর্মীদের বিশেষ পোশাক৷ তারা আগুন নেভাবার সময় সেন্সরের মাধ্যমে দূর থেকে তাদের বিপদের মাত্রা বোঝা যাবে৷ প্রয়োজনে তাদের উদ্ধার করা সহজ হবে৷ এমন প্রযুক্তির প্রয়োগের সত্যি কোনো সীমা নেই৷

এসবি/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়