1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

স্বাধীনতা দিবস: কলঙ্কমুক্তির পথে দেশ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে ঢাকায় নিরীহ বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী৷ চেয়েছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতার স্বপ্নকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে৷ কিন্তু পারেনি৷ সেই রাতেই প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাঙালি৷

Unabhängikeitsfeier in Bangladesh

ফাইল ছবি

‘অপারেশন সার্চলাইট' নামে ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে যে বাঙালি নিধন শুরু হয়, তা চলে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত৷ বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামস৷ এই দোসরদের নেতৃত্ব দেয় জামায়াতে ইসলামী৷ আর অনেক চড়াই উত্‍রাই পেরিয়ে এখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দোসর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে স্বাধীন বাংলাদেশে

বীরাঙ্গনা ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিনী ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘তাই আমি আশাহত নই৷ আমি জানি বাংলাদেশ পারবে৷ পারবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে৷ যে বিচার শুরু হয়েছে তা কেউ আটকাতে পারবেনা৷'' তিনি আরও বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পর অনেক হতাশার পথ পাড়ি দিতে হয়েছে৷ জাতীয় পতাকা খামচে ধরেছিল পুরনো শকুন৷ রাজাকারের গাড়িতে উঠেছিল জাতীয় পতাকা৷ কিন্তু সেই হতাশার দিন শেষ হয়ে এসেছে৷ কলঙ্ক মুক্তির পথে হাঁটছে বাংলাদেশ৷ যা আশার আলো দেখায়৷''

ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিনী আরও বলেন, ‘‘তবে এখনো বাধা আছে৷ রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে বাধা আছে৷ কিন্তু এই বাধা টিকবে না৷ টিকবে না তাদের আস্ফালন৷ কারণ তরুণরা জেগেছে৷ দেশে এখন নতুন এক মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে৷ যারাই বাধা দেবে তারাই বিতাড়িত হবে৷ যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে তাদের সংগঠন জামায়াতের বিচারও শুরু হচ্ছে৷ বাংলাদেশ আরেক ইতিহাস সৃষ্টি করবে৷''

শহিদ মধুসূদন দে-র ছেলে অরুণ দে ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘দেশে অনেক সংকট আছে সত্য; কিন্তু জাতির সবচেয়ে বড় দাবি যুদ্ধাপরাধের বিচার এগিয়ে যাচ্ছে৷ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে এটি বড় আশার কথা৷ জাতির কলঙ্কমোচনের এই কাজ কোনভাবেই বন্ধ করা যাবে না৷ যদি কেউ চেষ্টাও করে তারা ব্যর্থ হবে৷''

তিনি আরও বলেন, ‘‘শহিদদের আত্মা তখনই শান্তি পাবে যখন বাংলাদেশ স্বাধীনতা বিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী মুক্ত হবে৷'

নির্বাচিত প্রতিবেদন