1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

স্বাধীনতার পর প্রথম ভোট হচ্ছে কসোভোতে

মুসলমান অধ্যুষিত ইউরোপের অন্যতম গরিব দেশ কসোভো৷ দুই বছর আগে নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে তারা৷ পরে অবশ্য স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন পায় বিশ্বের অনেক বড় বড় শক্তির কাছ থেকে৷ সেখানেই আজ প্রথমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷

default

ব্যালট বাক্স

কসোভো

কসোভো দেশটি স্বাধীনতা ঘোষণা করে সার্বিয়ার কাছ থেকে৷ কারণ কসোভোতে বাস করে মূলত আলবেনীয়রা৷ মোট ১৬ লক্ষ জনগণের মধ্যে মাত্র এক লাখ ২০ হাজার সার্বীয় জনগণের বাস কসোভোতে৷ তাই স্বাভাবিক কারণেই স্বাধীনতা চেয়েছিল কসোভোর মানুষেরা৷ এরপর ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর সেটাতে সমর্থন দেয় যুক্তরাষ্ট্রসহ পাঁচটি বাদে ইইউ'র সব দেশ৷ সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের ৭২টি দেশ কসোভোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিয়েছে৷ এর মধ্যে অবশ্য বাংলাদেশ নেই৷

গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন

নির্বাচনটি গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, এটি সুষ্ঠু হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হতে সেটা সাহায্য করবে৷ যেটা এই মুহূর্তে দরকার৷ কারণ দেশটি গরিব৷ ইইউ'র সদস্য হতে পারলে তাদের সহায়তা নিয়ে অর্থনীতির উন্নতি সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছেন কসোভোর জনগণ৷ যেমন প্রধানমন্ত্রী হাশিম থাচি সরাসরিই বলেছেন যে এই নির্বাচন ইইউ ও জাতিসংঘের সদস্য হতে তাদের সহায়তা করবে৷ এছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন মানে সুষ্ঠু গণতন্ত্র৷ সেক্ষেত্রে স্বাধীনতার পক্ষে আরও বেশি দেশের সমর্থন পাওয়া যেতে পারে৷ নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দুটো দলের মধ্যে৷ এর একটির নাম পিডিকে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী থাচি৷ আর অন্য দলটি হলো এলডিকে৷ এর নেতৃত্বে রয়েছেন ইসা মুস্তফা৷ থাচি আর মুস্তফা দুজন আগে একসঙ্গেই ছিলেন৷ সেটা কসোভোর স্বাধীনতা ঘোষণার সময়৷ এছাড়া সার্বদের নয়টি দলও অংশ নিচ্ছে নির্বাচনে৷ মোট ১২৯টি আসনের মধ্যে ১০টি রাখা হয়েছে সংখ্যালঘু সার্বদের জন্য৷

কে জিতবে?

সর্বশেষ খবর বলছে নির্বাচনে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি৷ তবে উত্তর কসোভো, যেখানে সার্বরা সংখ্যায় বেশি, সেখানে বন্দুকধারীরা ভোটারদের কিছুটা ভয়ভীতি দেখিয়েছে৷ এছাড়া এখন পর্যন্ত বেশ ভালভাবেই চলছে নির্বাচন৷ প্রায় সাড়ে আটশ বিদেশি পর্যবেক্ষক রয়েছে সেখানে৷ যার একটা বড় অংশই গেছে ইইউ থেকে৷ আর সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রী থাচির দল পেয়েছে ৩০ শতাংশ ভোট৷ আর বিরোধী দল পিছিয়ে মাত্র ২ শতাংশ ভোটে৷ অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে যে, দুই বা তারও বেশি দল মিলে একটা জোট সরকার হতে যাচ্ছে কসোভোতে৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

সংশ্লিষ্ট বিষয়