1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

স্নোডেন পেলেন ‘হুইসেলব্লোয়ার প্রাইজ’

সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত চরিত্র সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা এডোয়ার্ড স্নোডেন৷ তাঁকে ‘হুইসেলব্লোয়ার প্রাইজ’ দিয়েছে জার্মানির ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ও আরো দুটি সংগঠন৷

এই প্রথমবারের মতো ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই কোনো অ্যাওয়ার্ড দেয়ার সঙ্গে জড়িত হলো৷ অন্য দুটি সংগঠন হলো ফেডারেশন অফ জার্মান সায়েন্টিস্ট (ভিডিডাব্লিউ) এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ল'ইয়ার্স এগেইনস্ট নিউক্লিয়ার আর্মস৷

টিআই তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, যারা জনস্বার্থে ‘‘নাগরিক, সমাজ, গণতন্ত্র, শান্তি ও পরিবেশের জন্য চরম প্রতারণা আর বিপজ্জনক পরিস্থিতির তথ্য প্রকাশ করে'' তাদের জন্য এই পুরস্কার৷

ARCHIV - Mit Plakaten protestieren Demonstranten am 29.06.2013 in Hannover (Niedersachsen) u.a. gegen das Spionageprogramm Prism. Verwirrung in der Spähaffäre: Das in Afghanistan eingesetzte «Prism»-Programm hat möglicherweise doch direkte Verbindungen zum gleichnamigen Überwachungsinstrument der NSA. Nach einem Bericht der «Bild»-Zeitung (Donnerstag) greifen beide Programme auf dieselben Datenbanken des US-Geheimdienstes zu. Foto: Peter Steffen/dpa +++(c) dpa - Bildfunk+++

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে স্নোডেন এফেক্ট ছড়িয়ে পড়েছে জার্মানিতেও

এদিকে ভিডিডাব্লিউ'র কর্মকর্তা হার্টমুট গ্রাসল স্নোডেনকে অ্যাওয়ার্ড দেয়ার কারণ সম্পর্কে বলেন, ‘‘স্বাধীন ও মুক্ত সমাজের জন্য স্নোডেন-এর মতো সাহসী মানুষ দরকার, যেন প্রতারণার বিষয়গুলো প্রকাশ ও প্রতিহত করা যায়৷''

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি' বা এনএসএ-র সাবেক এজেন্ট স্নোডেন সম্প্রতি কিছু দলিল প্রকাশ করেন, যাতে দেখা যায় যে মার্কিন গোয়েন্দারা নাগরিকদের মোবাইল রেকর্ড সংগ্রহ করছে৷ এছাড়া এনএসএ-র আরো একটি প্রোগ্রামের কারণে ইন্টারনেট কোম্পানিগুলো তাদের কাছে থাকা তথ্যগুলো সরকারকে দিতে বাধ্য হচ্ছে৷

এর প্রতিক্রিয়ায় স্নোডেনের পাসপোর্ট বাতিল করে দিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ৷ তারা এখন স্নোডেনকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাইছেন৷

তবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে স্নোডেন এফেক্ট ছড়িয়ে পড়েছে জার্মানিতেও৷ কারণ জানা গেছে, এনএসএর কাজের আওতায় ছিল জার্মানির নাগরিকরাও৷ অর্থাৎ তাঁদেরও তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে৷ আর এই ব্যাপারটা নাকি জানতো জার্মান গোয়েন্দা সংস্থা৷ পত্রিকায় এমন খবরই প্রকাশিত হয়েছে৷ তাতে বিপাকে পড়েছে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সরকার৷ কারণ সামনেই জার্মানির সংসদ নির্বাচন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন