স্নোডেন পেলেন ‘হুইসেলব্লোয়ার প্রাইজ’ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 28.07.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

স্নোডেন পেলেন ‘হুইসেলব্লোয়ার প্রাইজ’

সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত চরিত্র সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা এডোয়ার্ড স্নোডেন৷ তাঁকে ‘হুইসেলব্লোয়ার প্রাইজ’ দিয়েছে জার্মানির ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ও আরো দুটি সংগঠন৷

এই প্রথমবারের মতো ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই কোনো অ্যাওয়ার্ড দেয়ার সঙ্গে জড়িত হলো৷ অন্য দুটি সংগঠন হলো ফেডারেশন অফ জার্মান সায়েন্টিস্ট (ভিডিডাব্লিউ) এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ল'ইয়ার্স এগেইনস্ট নিউক্লিয়ার আর্মস৷

টিআই তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, যারা জনস্বার্থে ‘‘নাগরিক, সমাজ, গণতন্ত্র, শান্তি ও পরিবেশের জন্য চরম প্রতারণা আর বিপজ্জনক পরিস্থিতির তথ্য প্রকাশ করে'' তাদের জন্য এই পুরস্কার৷

ARCHIV - Mit Plakaten protestieren Demonstranten am 29.06.2013 in Hannover (Niedersachsen) u.a. gegen das Spionageprogramm Prism. Verwirrung in der Spähaffäre: Das in Afghanistan eingesetzte «Prism»-Programm hat möglicherweise doch direkte Verbindungen zum gleichnamigen Überwachungsinstrument der NSA. Nach einem Bericht der «Bild»-Zeitung (Donnerstag) greifen beide Programme auf dieselben Datenbanken des US-Geheimdienstes zu. Foto: Peter Steffen/dpa +++(c) dpa - Bildfunk+++

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে স্নোডেন এফেক্ট ছড়িয়ে পড়েছে জার্মানিতেও

এদিকে ভিডিডাব্লিউ'র কর্মকর্তা হার্টমুট গ্রাসল স্নোডেনকে অ্যাওয়ার্ড দেয়ার কারণ সম্পর্কে বলেন, ‘‘স্বাধীন ও মুক্ত সমাজের জন্য স্নোডেন-এর মতো সাহসী মানুষ দরকার, যেন প্রতারণার বিষয়গুলো প্রকাশ ও প্রতিহত করা যায়৷''

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি' বা এনএসএ-র সাবেক এজেন্ট স্নোডেন সম্প্রতি কিছু দলিল প্রকাশ করেন, যাতে দেখা যায় যে মার্কিন গোয়েন্দারা নাগরিকদের মোবাইল রেকর্ড সংগ্রহ করছে৷ এছাড়া এনএসএ-র আরো একটি প্রোগ্রামের কারণে ইন্টারনেট কোম্পানিগুলো তাদের কাছে থাকা তথ্যগুলো সরকারকে দিতে বাধ্য হচ্ছে৷

এর প্রতিক্রিয়ায় স্নোডেনের পাসপোর্ট বাতিল করে দিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ৷ তারা এখন স্নোডেনকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাইছেন৷

তবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে স্নোডেন এফেক্ট ছড়িয়ে পড়েছে জার্মানিতেও৷ কারণ জানা গেছে, এনএসএর কাজের আওতায় ছিল জার্মানির নাগরিকরাও৷ অর্থাৎ তাঁদেরও তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে৷ আর এই ব্যাপারটা নাকি জানতো জার্মান গোয়েন্দা সংস্থা৷ পত্রিকায় এমন খবরই প্রকাশিত হয়েছে৷ তাতে বিপাকে পড়েছে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সরকার৷ কারণ সামনেই জার্মানির সংসদ নির্বাচন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন