1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

স্নোডেনকে নিয়ে মস্কোর অস্বস্তি বাড়ছে

‘প্রিজম’ কর্মসূচির আওতায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এনএসএ ইউরোপ সহ গোটা বিশ্বে যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর আড়ি পাতছে, এডওয়ার্ড স্নোডেনের এই অভিযোগের জের ধরে ঘটে চলেছে একের পর এক ঘটনা৷

A journalist looks at a display with a picture of former CIA employee Edward Snowden. The photo is taken during his meeting with human rights organizations at Sheremetyevo airport. Pavel Lisitsyn/RIA Novosti / Eingestellt von wa

Edward Snowden / Moskau / Tablet ** nur 16:9 ***

মস্কো বিমানবন্দরে ট্রানজিট এলাকায় আটকে রয়েছেন এডোয়ার্ড স্নোডেন৷ ল্যাটিন অ্যামেরিকার কয়েকটি দেশ তাঁকে আশ্রয় দিতে চাইলেও মার্কিন পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাওয়ায় তিনি ভ্রমণ করতে পারছেন না৷ এই অবস্থায় রুশ কর্তৃপক্ষের কাছেই তিনি সাময়িক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন৷ প্রথম দিকে রুশ প্রেসিডেন্ট স্নোডেনকে ঘিরে মার্কিন প্রশাসনের অস্বস্তি কিছুটা উপভোগ করছিলেন বটে, কিন্তু এখন তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলছেন, রুশ-মার্কিন সুসম্পর্ক অনেক বেশি জরুরি৷ তাই অ্যামেরিকার স্বার্থের ক্ষতি করে – এমন আর কিছু না করার জন্য স্নোডেনকে আবার সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি৷ এদিকে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে সেন্ট পিটার্সবার্গ-এ বসছে জি-টোয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলন৷ স্নোডেনকে ঘিরে বিতর্কের জের ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যদি রাশিয়া সফর বাতিল করেন, তা হবে পুটিনের জন্য একটা বড় ধাক্কা৷ তার আগেই বিষয়টির নিষ্পত্তি করতে চান তিনি৷

মার্কিন প্রশাসন স্নোডেনকে সরাসরি দেশে ফেরার ডাক দিয়েছে৷ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র প্যাট্রিক ভেনট্রেল বলেছেন, স্নোডেনের উচিত দেশে ফিরে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়া৷

‘প্রিজম' কর্মসূচির আওতায় মাইক্রোসফট, অ্যাপল, গুগল বা ফেসবুকের মতো সংস্থা গ্রাহকদের তথ্য মার্কিন গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দিচ্ছে, এমন অভিযোগ খণ্ডন করতে উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে৷ আইন অনুযায়ী বেসরকারি কোম্পানিগুলি বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করতে পারে না৷ মাইক্রোসফট মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে এই নিয়ম নতুন করে খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছে৷ তাদের যুক্তি, এর ফলে তাদের সংবিধান-স্বীকৃত মত প্রকাশের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে৷

জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হান্স-পেটার ফ্রিডরিশ তাঁর সংক্ষিপ্ত ওয়াশিংটন সফর থেকে ফিরে যে সব মন্তব্য করেছেন, তার ফলে জার্মানিতে বিপুল সমালোচনার ঝড় উঠেছে৷ বিরোধীদের অভিযোগ, জার্মানির স্বার্থ রক্ষা করার বদলে অ্যামেরিকার হয়ে তাঁবেদারি করছেন তিনি৷ তাছাড়া আড়ি পাতার অভিযোগ সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্যও সংগ্রহ করতে পারেন নি তিনি৷ বুধবার জার্মান সংসদের স্বরাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সামনে তিনি বক্তব্য রেখেছেন৷ তবে সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায় নি৷ গোটা বিষয়টি চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলেরই হাতে নেওয়া উচিত বলে দাবি করছে বিরোধীরা৷ ফলে সেপ্টেম্বর মাসে সাধারণ নির্বাচনের আগে আচমকা বেশ চাপের মুখে পড়েছেন ম্যার্কেল৷ সরকারের নীরবতার মাঝে সংবাদ মাধ্যমে প্রায়ই দাবি করা হচ্ছে, যে প্রিজম কর্মসূচি সম্পর্কে জার্মান প্রশাসন আগে থেকেই অবগত ছিল৷ তবে অনেক বিশেষজ্ঞের ধারণা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ফেডারেল জার্মানির সব প্রশাসনই জার্মানিতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কার্যকলাপ সম্পর্কে কম-বেশি জানতো৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন